অংকের শিক্ষক একটি অংক দিয়ে বললোঃ তোদের
মধ্যে যে অংকটি পারবে তাকে আমি এক জোড়া জুতা
গিফট করবো।
সকল ছাত্র অংকটি সঠিক
উত্তর দিলো।
শিক্ষকঃ আমিতো একজনকে জুতো দিতে পারবো। একটা কাজ কর, লটারী করি।
বাক্সের মধ্যে তোরা তোদের নাম আর রোল নম্বর লিখে দে।
ছাত্ররা রোল নাম/নম্বর লিখে বাক্সে রাখলো। শিক্ষক বাক্স একটু ঝাঁকিয়ে চোখ বন্ধ করে একটি কাগজ তুললেন।
শিক্ষকঃ আমি কি নামটি পড়বো?
ছাত্ররা একত্রে বললোঃ পড়েন স্যার।
পুরো ক্লাশ Pin drop silence
শুধু শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ।
শিক্ষক পড়লেনঃ
আব্দুল। রোল নম্বর ১
ছাত্ররা হাত তালি দিয়ে ফার্স্ট বয়কে অভিনন্দন জানালো।
শিক্ষক পরের দিন এক জোড়া জুতো নিয়ে এসে বললেনঃ তোরা সকলে মিলে জুতা ওকে পড়িয়ে দে।
টিচার্স রুমে ঐ শিক্ষকের চোখে জল দেখে সহকারী শিক্ষক জিজ্ঞাসাঃ স্যার, আপনার চোখে জল কেনো।
শিক্ষক জুতোর ঘটনা খুলে বলে, বললোঃ আব্দুল ক্লাশে একমাত্র ছাত্র যে কিনা, খালি পায় ক্লাশে আসে।
আমি ওর কথা চিন্তা করে কঠিন অংক দিলাম। সবাই অংকটি সঠিক উত্তর দিলো। সবচেয়ে অবাক লাগলো, লটারীর বাক্স খুলে দেখি সকল ছাত্রই তাদের স্ব স্ব নাম
নাম না লিখে, লিখেছিলো, আব্দুল, রোল ১,,, যাতে করে জুতো জুড়া আব্দুল পায়।
সেই ছাত্রটি
A. P. J. Abdul Kalam
Former President of India
---- collected
Showing posts with label এ পি জে আব্দুল কালাম. Show all posts
Showing posts with label এ পি জে আব্দুল কালাম. Show all posts
Thursday, July 4, 2024
Saturday, June 29, 2024
এ পি জে আব্দুল কালাম
অন্য এক সাধু এবং প্রার্থনার গল্প।
Mohammad Abu Hanefa
এ পি জে আব্দুল কালামকে নিয়ে আমার আগ্রহ অনেকদিনের। তাঁর লিখা প্রায় সব বই পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। মাস তিনেক আগে পড়ছিলাম তাঁর 'টার্নিং পয়েন্টস'। এয়ারপোর্টে। খুব ভোরের ফ্লাইট। কিন্তু লেইট। কবে ছাড়বে বোঝা যাচ্ছেনা। আমার সময় কাটছে 'টার্নিং পয়েন্টস' নিয়ে। পাশে এক ভদ্রলোক বসা। বেশ সজ্জন।হঠাৎ নিজে থেকেই জিজ্ঞেস করলেন, কালাম সাহেব জীবনের টার্নিংগুলো দেখেছেন?? কী টান টান!! এন্ড হি ওয়াজ আ গিফটেড পারসন।
বললাম, হা, নয়তো, মাঝির সন্তান থেকে এত বড় বিজ্ঞানী, তারপর ভারতের রাষ্ট্রপতি ---------
উত্তর এলো, বিজ্ঞানী কালাম, রাষ্ট্রপতি কালাম, আঠারোটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা পদক পাওয়া কালাম, আটটি ডক্টরেট পাওয়া কালামকে বুঝতে হলে শুধু তাঁর নিজের লেখা বই পড়লে হবে না।
মানে বুঝলাম না- একটু অবাক হই।
না, মানে, বড় মানুষেরা নিজেদের 'বড়ত্ব' নিজের লেখা বইতে কখনো লিখেন না।কালাম আসলে যতোটা না বিজ্ঞানী, রাষ্ট্রপতি , শিক্ষাবিদ , তার চাইতে বেশী হচ্ছেন একজন সাধু। আ রিয়েল সেইন্ট।
কীভাবে???
তিনি হাসলেন, তিনটা বই এর নাম লিখুন,
১। The Kalam Effect: My Years With The President by P M Nair.
২।What Can I Give?: Life lessons from My Teacher - Dr A.P.J. Abdul Kalam – Srijan Pal Singh
৩।A P J Abdul Kalam- A Life---Arun Tiwari
তারপর বললেন এগুলো পড়লে বুঝবেন।
এভাবেই ইরতিয়াজ ভাই এর সাথে পরিচয়। লন্ডন থাকেন। একটা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকে কাজ করেন। বড় ধরণের কাজ, সেটা বিজনেস কার্ড বলছে।
বাতিঘরে'র অসাধ্য কিছুই নেই। তাঁরা ক'দিন আগে আউট অব প্রিন্ট একটি বই, গাদ্দাফির ব্যক্তিগত পাইলটের লিখা-- বিলেতের পুরানো বই এর দোকান থেকে এনে দিয়েছেন। তাঁদের জন্য তো এ তিনটা বই কোন ব্যাপারই না।
গত দু'মাস এ তিন বই নিয়ে ডুব মারলাম। সবচে, কষ্ট দিলো শেষেরটা।লেখক অরুণ তেওয়ারি ছিলেন ড. কালামের বিজ্ঞানী সহকর্মী। তাই এতে তিনি তাঁর গুরুর বৈজ্ঞানিক কাজের বিস্তারিত লিখেছেন, দাঁত ভাংগা সায়েন্স।এর মধ্য থেকে পরিস্কার হয়ে আসছেন, 'সাধু" ড. কালাম। একদিকে তিনি মিজাইল বানাচ্ছেন, অন্যদিকে বানাচ্ছেন পোলিও আক্রান্ত বাচ্চাদের জন্য সহজলভ্য কৃত্রিম পা। বাকী দুটো বই বেশ সহজ।
তিনটা বই শেষ করে ইরতিয়াজ ভাইকে ইনবক্স করলাম, "দা সেইন্ট ইজ ডিসকভার্ড।"
তিনি জবাব দিলেন,হোয়াট ইম্প্রেসড ইউ মোস্ট?
আমি লিখলাম,২০০৬ সালে 'প্রমুখ স্বামী মহারাজের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ ।
এত কিছু বাদ দিয়ে ওটা কেন?? ইরতিয়াজ ভাই এর বিস্মিত ইনবক্স।
কারণ তাঁর প্রার্থনা, আমার ছোট্ট উত্তর।
কী প্রার্থনা?? প্লিজ মনে করিয়ে দিন।
সে রাতে তিনি স্বামীজীর কাছে আবেদন করেছিলেন, 'আপনি প্রার্থনা করুন, আমি যেন ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে বক্তৃতা দিতে দিতে মারা যাই।"
নয় বছর পর, ২৭ জুলাই,২০১৫ সালে শিলং এ ছাত্রদের সামনে বক্তৃতা দেয়ার সময়ই ড. কালাম হৃদ যন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা যান।
কিন্তু এটা কেন আপনাকে এত টানলো, তাঁর অন্য সব ছেড়ে??? ইরতিয়াজ ভাই এর প্রবল বিস্ময়।
কারণ, আমি অতি তুচ্ছ মানুষ, কিন্তু সব মানুষের প্রভুর কাছে চাইবার অধিকার সমান। প্রেসিডেন্ট কালামের যে অধিকার, আমার ও তাই। পরম করুণাময়ের কাছে সবাই সমান।
তারপর??? ইরতিয়াজ ভাই এর তাৎক্ষণিক ইনবক্স।
আমি ছোট, অতি নগন্য হলেও এটা পড়ার পর আমার মনে হয়েছে, যে বয়সেই হোক, আমি যেন আই হ্যাভ আ ড্রিম অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে কথা বলতে বলতে চলে যাই!!!!!!
source: https://www.facebook.com/groups/905458924023335/permalink/991139732121920/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v
Subscribe to:
Posts (Atom)
আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...
-
কামরুন নাহার মিশু রাহাত সাহেবের ওয়ালেট থেকে ভুলবশত একটা ভাঁজ করা কাগজ উড়ে এসে আমার পায়ের কাছে পড়ল। রাহাত সাহেব আমার কলিগ। আমরা একই অফিসে ...
-
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...
-
https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/qfoqepeehe সিলেটের সুরমা নদীর অন্যতম উপশাখা কুশি নদী। কুইগাঙ বা কুশিগাঙ নামে নদীটি বেশি পরিচি...