Showing posts with label Poem. Show all posts
Showing posts with label Poem. Show all posts

Saturday, September 28, 2024

রানীর জীবন কাহিনী

ফেরদৌস আহমেদ 


পাঁচ বছরের ছোট্ট খুকি নাম হল তার রানী

পাশের বাড়ির মজনু মিয়া ডাকে তারে নানি।
রানী না কি দেখতে তাহার মরা নানির মত
মজনু মিয়া তাই রানীরে আদর করে এত!
আদর কইরা তাই রানীরে লইয়া যায় সে হাটে
এটা সেটা মজা খাওয়ায় সোহাগ চুমু কাটে।
মাঝে মাঝে কান্ধে নিয়া গাঁয়ের পথে ঘোরে
গোসল করতে নদীর ঘাটে যায় সে নিয়ে ক্রোড়ে।
রানীর জন্য নিয়ে আসে নিজের গাছের কলা
খেলনা আনে আশে পাশে হইলে কোথাও মেলা।
হঠাৎ সেদিন দিনের শেষে সন্ধ্যা নামার পরে
বাপ মা দেখে তাদের রানী ফিরছে না আর ঘরে।
এক নিমিষে পাড়ায় পাড়ায় হইল জানা জানি
কোথায় না কি হারিয়ে গেছে মজনু মিয়ার নানি।
কেউ বা খুঁজে নদীর ঘাটে কেউ বা কুসুম বাগে
মজনু মিয়া পাগল হয়ে চলছে সবার আগে।
সবাই মিলে খুঁজল সারা গাঁয়ের জলে স্থলে
পাইল না আর রানীর দেখা দু'দিন গেল চলে।
সবাই কাঁদে মিষ্টি রানীর মিষ্টি স্মৃতি লয়ে
বাপ মা তাহার পড়ে আছে স্তব্ধ পাথর হয়ে।
মজনু মিয়ার দু চোখ বেয়ে ঝরছে নোনা পানি
মুখে তাহার একই বিলাপ হায় নানি হায় নানি!
এমন সময় কইল এসে ছোট্ট শিশু তোতা
গাঙ্গে না কি ভাইসা আছে রানীর পায়ের জুতা।
সবাই তখন দৌড়ে গিয়ে দেখে নদীর কাছে
ঝোপের ভিতর রানীর পঁচা লাশটা পড়ে আছে।
এমন করে রানীর জীবন হইল যখন শেষ
তখন থেকে মজনু নানাও হইল নিরুদ্দেশ।
মেয়ে শিশু দেওয়ার আগে পুরুষ লোকের কোলে
দয়া করে এই ঘটনা কেউ যেওনা ভুলে ।


এই কবিতার গল্প এবং চরিত্রের নাম কাল্পনিক।

https://www.facebook.com/100077505699680/posts/565187256074793/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

নদীর পাড়ের বাড়ি।

লেখায় :- ফেরদৌস আহমেদ।

 

আমার একটা বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর তীরে

সাত পুরুষের জনম গেছে খরকুটার এই নীড়ে
একটুখানি উঠোন ছিল ছোট্ট ক টা ঘর
পাশেই ছিলো বাবা-মায়ের পুরনো কবর।
দক্ষিনে এক পুকুর ছিল কানায় কানায় জল
দখিন হাওয়ার ঢেউ গুলো তার করত টলমল।
হালের দুটো ব*লদ ছিল একটা দুধের গা*ই
ওরা যেন ছিল আমার ভগ্নি এবং ভাই।
ঘরের মুখে ছিল দুটো লাল গোলাপের চারা
সারা বাড়ি থাকতো ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা
লাল পুঁইয়ের এক মাচা ছিল আঙ্গিনার এক পাশে
পুঁইয়ের ডগা দুলত সেথায় দক্ষিণা বাতাসে।
তাজমহলের রূপ ছিল মোর সবুজ-শ্যামল নীড়ে
আসতে যেতে পথের পথিক চাইত ফিরে ফিরে।
এই বাড়িতে তেমন সুখেই যাচ্ছিল দিন কেটে
যেমন সুখে শিশুরা সব ঘুমায় মায়ের পেটে।
আমার এ সুখ সইল না ঐ পদ্মা নদীর প্রাণে
বান ডেকে সে ঢেউ তুলে মোর বক্ষে আঘাত হানে।
ঘরবাড়ি সব ভাসিয়ে নিল ভাসালো দুই আঁখি
অশ্রু ছাড়া কিছুই সে মোর রাখল না আর বাকি।
কাল যেখানে ছিল আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই
আজ সেখানে জলের খেলা আমার কিছুই নাই।
বাপ মা আমার ঘুমিয়ে ছিল কাল যে মাটির ঘরে
আজ সেখানে নদীর পানি রঙ্গে খেলা করে।
সাত পুরুষের স্মৃতির মতন নাই কো কিছুই আর
নদীর জলে ভাসছে তাদের গোর কবরের হাড়।
নদীর জলে হাড় পেলে কেউ বক্ষে তুলে নিও
গোর হারা মোর মায়রে আবার দাফন করে দিও।
কাল যেখানে থাকত বাঁধা আমার ব*লদ গা*ভী
আজ সেখানে বানের জলে ভাসছে হাবিজাবি।
তাদের সাথে যদিও আমার রক্ত বাঁধন নাই
তবুও ওরা ছিল আমার ভগ্নী এবং ভাই।
আমার সুখে হাসত ওরা কাঁদত আমার দুখে
নিজের বাছুর উপুস রেখে দুধ দিতে মোর মুখে।
হাসিমুখে আমার সাথে টানত ওরা হাল
ভাইয়ের মতোই সঙ্গ দিয়ে আসছে চিরকাল।
আমার এ সুখ হয়নি হজম পদ্মা নদীর চোখে
আঘাত করে আমাদের এই ভাই বাঁধনের বুকে।
হঠাৎ দেখি তার আঘাতে উঠোন গেছে ফেটে
প্রাণ বাঁচাতে দিলাম ওদের গ*লার দ*ড়ি কে*টে।
নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়ে সাত জনমের বাঁধন
অবাক চেয়ে শুনছি তাদের হাম্বা সুরের কাঁদন।
বিদায় কাঁদন কান্ধে ওরা আমার দিকে চাহি
আমিও কাঁদি কান্না ছাড়া কিচ্ছু করার নাহি।
জানিনা আজ কোথায় ওরা মরল না কি আছে
কোথায় পাব তাদের খবর সুধাই বা কার কাছে।
নদির জলে পাও যদি কেউ তিনটি ব*লদ গা*ই
বুঝে নিয়ো এরাই আমার হারানো বোন ভাই।
বিনয় করে বলছি তোমার পা জড়িয়ে ধরে
একটু তাদের থাকতে দিও তোমার গোয়াল ঘরে।

source: https://www.facebook.com/100064940670683/posts/932642905577057/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

Wednesday, September 18, 2024

হারানো দিনের স্মৃতি



লেখায় :-ফেরদৌস আহমেদ


কোথায় গেল সোনার সময় সোনার মানুষ কই!
কোথায় গেল লাঙ্গল জোয়াল কোথায় গেল মই।
কোথায় গেল গরুর গাড়ি কোথায় গরুর হাল
কোথায় গেল রংবেরঙের ডিঙি নায়ের পাল।
কোথায় গেল মাটির কলস
সেই কলসির জল
ঘরের শোভা রঙিন শিখা কোথায় গেল বল!
শকুনরা সব কোথায় গেল কোথায় গেল কাক
কোথায় গেল শিয়াল মামার হুক্কাহুয়া ডাক।
কোথায় গেল শিল আর পাটা পাটার ভাটা ঝাল
কোথায় গেল কাঠের ঢেকি ঢেকির ছাঁটা চাল।
কোথায় গেল পালকি চলার হুনহুনাহুন সুর
ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল হায়রে কত দূর।
কোথায় গেল রাত্রি জেগে চিঠি লেখার দিন
কোথায় গেল হারিকেন আর কোথায় কেরোসিন।
কোথায় গেল গরুর টানা আঁখ মারানোর কল
কোথায় গেল গ্রামের বাড়ির বাংলা ঘরের ছল।
বিয়েবাড়ির গীতের আসর কোথায় গেল ভাই
কলাপাতায় আহার করার মেজবানিটাও নাই।
কোথায় গেল কাঁচের চুড়ি রেশমী ফিতার সাজ
কোথায় গেল হাত রুমালের সুতার কারুকাজ।
কোথায় গেল মাটির কূপের মিষ্টি স্বাদের জল
কোথায় গেল ডাল মারানোর শিলার যাঁতাকল।
কোথায় গেল কুলুর বলদ বন্ধ যাহার চোখ
কোথায় গেল হুক্কা তামাক হুক্কা টানার লোক।
হারানো সুর খুঁজতে গিয়ে সবচেয়ে ব্যথা পাই
যখন দেখি কোরআন শিখার মকতব ও আর নাই।


Saturday, September 7, 2024

ইচ্ছে কথা

রমা চক্রবর্তী দেবনাথ। 


সীমানা জুড়ে পাঁচিল তুলেছো

উঠোন করেছো আঁটো ।
বাইরে রেখেছো ইয়া বড়ো গেট
মনের দরজা খাটো ।
যতদিন ছিলো হাঁড়িগুলো বড়ো
পিসি কাকা কাকিমাতে ,
হাসিতে গল্পে দিন কেটে যেতো
ঝোলে ঝালে আলু ভাতে ।
পাশাপাশি বাড়ি বোঝাই যেতো না
কার সীমা কত দূর ।
এ বাড়ির গান উঠোন পেরিয়ে
ও বাড়ি তুলতো সুর ।
এ বাড়ির গাছে ফুল ফল হলে
ও বাড়িতে যেতো আধা ।
হেঁসেলের ঘরে চিনি কম হলে
চেয়ে আনা ছিলো বাঁধা ।
এ বাড়ির খুড়ো ও-বাড়ি চা খেতো
ও বাড়ির খুড়ো ভাত ।
এ বাড়িতে কোনো ঝামেলা মেটাতে
ও বাড়ি বাড়াতো হাত ।
আজকে সবার বড়ো বড়ো বাড়ি
পাঁচিলে লাগানো কাঁচ ।
এ বাড়ির কারো হৃদয় ভাঙলে
ও বাড়ি পায়না আঁচ ।
বড়ো বাড়ি আর ছোটো পরিবার
চেয়েছিলো বুঝি তারা ।
এ বাড়িতে কেউ মারা গেলে তাই
ও বাড়ি দেয়না সাড়া ।


Thursday, July 4, 2024

খাই খাই

- সুকুমার রায়

 


 

বুড়োর চিঠি বুড়িকে


Dear বুড়ি, কেমন আছো?
বড় ছেলের কাছে?
হিংসুটে ঐ বৌমাটি কি
তোমার পাশেই আছে?
নাতি, নাতনি কেমন আছে?
ওরা কি সব স্কুলে ?
এতদিনে ওরাও হয়তো
আমায় গেছে ভুলে!
সে যাক ভুলে, এবার তুমি
তোমার কথা বলো।
তোমার হাঁটুর ব্যথাটা কি
এখন একটু ভালো?
আসার সময়, তোমার প্রেশার
ছিল অনেক বেশি।
উপরে প্রায় দুশো ছিলো,
নিচে ছিল আশি।
এখনও কি তোমার প্রেশার
একই রকম আছে?
থাকলে পরে, ওষুধ চেও
বড় খোকার কাছে।
Sugar টাও তো বেশি তোমার,
মিষ্টিটা কম খেও।
মাঝে মাঝে sugar টাকে
check করিয়ে নিও।
এসেছিলাম দেখে তোমার
heartএ blockage আছে।
দেখিয়েছে কি ওরা তোমায়,
specialist এর কাছে?
ছোটো খোকার কাছে আছি,
ভীষণ কষ্টে আমি।
বৌমা বলে আমার থেকেও
কুকুরটা তার দামি।
সকাল থেকেই বাজারঘাট আর
যত ঘরের কাজ,
বউমা আমায় করিয়ে নিয়ে
দেখায় আবার ঝাঁঝ।
আমারও তো শরীরটা আর
সুস্থ মোটেও নেই।
হাত-পা গুলো কাঁপতে থাকে,
উঠে দাঁড়াই যেই।
কি আর করবো, এটাই হয়তো
বুড়ো হওয়ার জ্বালা,
হওয়ার ছিল ভাগের মা আর
ভাগের বাবার পালা।
পারলে তুমি ভালো থেকো
একটু আধটু ঘুরো,
চিন্তা বৃথাই আমার জন্য,
ইতি- "তোমার বুড়ো"......

#সংগৃহীত

Saturday, June 29, 2024

বাঁচাও বাংলা ভাষা


ফেরদৌস আহমেদ

বাংলা ভাষার পাখা শব্দ
হয়ে গেল ফ্যান
এক "শ"হল হান্ড্রেড আর
দশ হয়েছে টেন ।
মেয়ে বন্ধু গার্লফ্রেন্ড হল
দুঃখিত টা সরি
খালা, ফুফু আন্টি হল
ট্যাবলেট হল বড়ি
শিক্ষক থেকে টিচার হল
বিদ্যালয়টা স্কুল
নাপিত ভাইয়ের সাইনবোর্ডে
হেয়ার হলো চুল ।
ফেব্রুয়ারির একুশ হলো
ফাল্গুন মাসের আট
কাগজ শব্দ পেপার হল
রোড রাস্তাঘাট ।
বিজ্ঞাপনে সাবান শব্দ
হল বিউটি সোপ
যাতায়াত টা জার্নি হল
স্টপ হয়েছে চুপ।
বাজার থেকে মার্কেট হল
শপিং কেনাকাটা
ভ্রমণ থেকে ট্যুর হল
জগিং ভোরের হাঁটা।
করমর্দন হ্যান্ডশেক হল
মুরগি চিকেন ফ্রাই
গাড়িচালক ড্রাইভার হল
চেষ্টা হল ট্রাই।
ব্যবস্থাপত্র প্রেসক্রিপশন আর
সেবিকা হল নার্স।
সম্পূর্ণটা ফুল হলো আর
অংশ হল পার্স ।
সাহায্যকারী হেলপার হল
গিফট উপহার
নববর্ষ হয়ে গেল
হেপি নিউ ইয়ার।
ক দিন আগেও ছিল না এই
মিশ্র ব্যবহার
চোখের সামনে ঘটে যাচ্ছে
এটা কি কারবার ।
বাংলা ভাষার অনেক শব্দ
পরছে ঝরে ঝরে
মায়ের মুখের ভাষা যাচ্ছে
আগাছা তে ভরে ।
এই জন্য দায়ী কিন্তু
তুমি আমি ভাই
অকারণে বাংলা রেখে
ভিনদেশী গান গাই।
এইজন্য কি রক্ত দিয়ে
বাংলা এনেছি
সালাম বরকত প্রশ্ন করলে
উত্তর দেবে কি ?
বিদেশী ভাষা ব্যবহারে
হই এসো সাবধান
বাঁচিয়ে রাখি প্রাণের প্রিয়
বাংলা ভাষার প্রাণ।

নাই নাই

ফেরদৌস আহমেদ
 
নৌকাতে পাল নাই
গরুটানা হাল নাই
খড়ে ছাউয়া চাল নাই,
নাই আজ হারিকেন ও নাই কেরোসিন
সবকিছু যেন আজ হাওয়ায় বিলীন।
মাটে-ঘাটে খেলা নাই
বৈশাখী মেলা নাই
ঠেলা গাড়ি ঠেলা নাই
নেই সেই চির চেনা জারি সারি গান
এই কথা মনে হলে কেঁদে ওঠে প্রাণ ।
কাঠের ঐ ঢেঁকি নাই
চিঠি লেখা-লেখি নাই
আধুলি ও সিকি নাই
নেই সেই রুমাল আর নেই কারুকাজ
হারানোর শোকে তাই চোখে জল আজ।
রাতে বর যাওয়া নেই
পাটি পেতে খাওয়া নেই
বিয়ে গীত গাওয়া নাই
নেই মাটি কলস আর নেই তার জল
সে ব্যথায় চোখ দুটি করে টলমল।
শিয়ালের ডাক নাই
শকুনের ঝাঁক নাই
হুক্কা তামাক নাই
নাই সেই গরুগাড়ি লাঙ্গল আর মই
মন বলে আহা সব কই গেল কই!
মাটির ঐ হাড়ি নাই
বেয়ারিংয়ের গাড়ি নাই
নন্দিনি শাড়ি নাই
নাই সেই স্মৃতি মাখা ইকোনো কলম
ভাবতেই হায় হায় যায় যায় দম ।
কূপের ঐ পানি নাই
কুলুদের ঘানি নাই
সেই মেজবানি নাই
পাটের ঐ শিকাটা ও নাই আজকাল
"নাই "ঝড়ে জীবন আজ বড় নাজেহাল।
কবাডি হাডুডু নাই
কুতকুত ও লুডু নাই
ভিউকার্ডে ফটো নাই
নাই সেই জলে ভাসা কসকো সাবান
মনে হলে বুকে বাজে বিরহের গান ।
লোকে লোকে মিল নাই
বিল যেন বিল নাই
পাটা আর শীল নাই
চুড়ি আর ফিতা দিয়ে নাই সেই সাজ
নাই নাই করে শেষ আগের সমাজ।

Monday, June 24, 2024

সময়ের ব্যবধান

 আমার এবং বাবার যুগের তফাৎ হলো এই

বাবার যুগের নৈতিকতা আমার যুগে নেই।
বাবার ঘরে ফকির এলে বসতে দিত পিড়ি
ফ*কির কাঁদে আমার ঘরের চায় না কেহ ফিরি।
বাপ চাচাদের বাড়ি ছিল এক উঠোনে বাঁধা
দুই গাঁয়ে দুই ঘর বেঁধেছি আমি এবং দাদা।
বাবার চোখে আসতো পানি কাঁদলে কুকুর ছানা
মানুষ কাঁদে তাও দেখি না আমি এমন কানা।
পথে বাবা গাছ লাগাতো পাইতে পথিক ছায়া
সেই পথিক আর পথ প্রতি নেই আমার কোন মায়া।
আমার শিশুকাল কেটেছে যত্নে মায়ের কোলে
আমার মেয়ে কান্দে তাহার মা চলে যায় স্কুলে।
বাবার দু চোখ ভরতো জলে কাঁদলে আমার মাতা
সঙ্গী মরে তাও ভিজে না আমার আঁখির পাতা।
বাবার কোলে মাথা রেখে মরল আমার দাদা
মাতা পিতার নেই না খবর আমি এমন গা*ধা।
বাপ চাচারা খাইলো মিলে যে নলকূপের পানি
সেটা নিয়ে আমরা দু ভাই করছি হানাহানি।
আগের মানুষ মূর্খ হলেও মানুষ ছিল ভালো
লেখা পড়া থাকলে ও আমার মনটা অনেক কালো।
আগের মানুষ গরিব হলে ও ভালো ছিল স্বভাব
লোকের এখন ‌টাকা আছে নৈতিকতার অভাব।
©সময়ের ব্যবধান - ফেরদৌস আহমেদ।

Friday, May 31, 2024

ছন্দে সুরে সকল জেলার নাম

 জানিনা কে লিখেছেন,লিখার জন্য তাকে ধন্যবাদ)

ছন্দে সুরে বলছি আমি সকল(৬৪)জেলার নাম
তাল মেলাতে সবার আগে আসলো কুড়িগ্রাম।
প্রধান জেলা ঢাকা থেকে একটুখানি দূর
এক জেলার নাম নরসিংদী আর একটা গাজীপুর ।
জয়পুরহাট ও লালমনিরহাট দুইটা জেলার নাম
রাজশাহীর নাম উজ্জ্বল করছে মিষ্টি স্বাদের আম।
পাহাড় ঘেরা বান্দরবান ও সিলেট খাগড়াছড়ি
ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জে এই অধমের বাড়ি ।
নেত্রকোনা সুনামগঞ্জে আছে ধানের মাঠ
সুন্দর বনের কাছে আছে খুলনা বাগেরহাট ।
ভোলা এবং বরিশালে আছি অনেক নদী
পাবনায় আছে পাগলা গারদ বগুড়াতে দধি ।
পাশাপাশি দুইটা জেলা টাঙ্গাইল জামালপুর
আরো দুইটা জেলা হল কুষ্টিয়া যশোর ।
মনের মত একটা জেলা নাম তার মাগুরা
দন্তন্য তে নারায়ণগঞ্জ নাটোর ও নওগাঁ ।
দন্তন্য তে আরো চারটি জেলা বলতে পারি
নবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী নড়াইল নীলফামারী ‌।
গঞ্জ দিয়া মানিকগঞ্জ হয় আরো মুন্সিগঞ্জ
গোপালগঞ্জ হয় হবিগঞ্জ হয় আরো সিরাজগঞ্জ ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কিন্তু গঞ্জ দিয়া ভাই
এদের ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন গঞ্জ নাই ।
রংপুর এবং রাঙ্গামাটির নামটা রঙে রাঙা
নামের জন্য আরও সুন্দর চাঁদপুর চুয়াডাঙ্গা ‌।
কক্সবাজার নামের জেলা আছে সাগর পাড়ে
পঞ্চগড়টা পড়ছে বন্ধু দেশের এক কিনারে ।
ফেনী জেলার নামটা মাত্র দুইটা অক্ষর দিয়া
সবচেয়ে বেশি অক্ষর লাগে লিখতে বি-বাড়িয়া ।
ছয়টা অক্ষর লিখতে লাগে মৌলভীবাজার
এদিক থেকে শরীয়তপুর সমান তাহার ।
শেষের দিকে এসে দেখি বসছে পুরের মেলা
নামের শেষে পুর লাগানো অনেকগুলো জেলা ।
পুর দিয়ে ভাই শেরপুর আছে আছে পিরোজপুর
মেহেরপুর ও মাদারীপুর আরো দিনাজপুর।
ফরিদপুর ও লক্ষিপুর এই দুই টা জেলার সাথে
পুরের পালা শেষ করিয়া গেলাম বরগুনাতে ।
আসার পথে কুমিল্লা ও ঝালকাঠি সহ
ঘুরে এলাম রাজবাড়ী তার সঙ্গে ঝিনাইদহ ‌।
গাইবান্ধার নাম বাদে থাকে আর মাত্র এক হালি
তাদের মধ্যে একটা জেলার নাম পটুয়াখালী ।
এখন শুধু বাকি আছে তিনটা জেলার নাম
এদের মধ্যে একটা জায়গা হইল চট্টগ্রাম ‌।
সাতক্ষীরায় আর ঠাকুরগাঁয়ে হইল এই গান শেষ
এদের নিয়েই গড়া আমার সোনার বাংলাদেশ ।
(কপি পোস্ট)

বউ না থাকলে

 কার লেখা জানিনা ; তবে বউ না থাকা কোন মহাপুরুষেরই হবে মনে হয়

$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে...
বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়...
বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা ন্যাতা অন্তত পাঁচ বছর টেকে...
বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে...
বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই..
বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।
বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন...
বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে...
বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায়... লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায়... গায়ে বা মাথায়।
বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না...
বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে...
বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম...একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান। সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম...
বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট.. আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা...
বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে... তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে...
বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স...
বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু...
বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায়.. বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট...
বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসেমর ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব..
এবং আরো আরো আরো... প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই। এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই..., এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না..
বন্যরা বনে সুন্দর
পুরুষেরা নারীর ভয়ে..
ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই..?
বড় জটিল এর উত্তর..
বোঝার ক্ষমতা নেই আমাদের.. বুঝে কাজও নেই..
এই বেশ টিকে আছি..🤣😜
(সংগৃহীত)

source : https://www.facebook.com/100003960194653/posts/2954863584655619/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

আবুল মিয়া

 আবুল মিয়া ফর্সা মানুষ, বউটা তাহার কালো

এই কারণে বউটা বেশি ,লাগে না তার ভালো।
বউটা আবার কালো হইলেও, বড় ঘরের বেটি
বাপের ঘরে খাইছে শুধু ,বড় মাছের পেটি।
ভালো খেয়ে বড় হওয়া ,এই বেচা*রির মুখে
স্বামীর ঘরের ভর্তা ভাজি ,পান্তা কি আর ঢোকে।
বউয়ের জ্বালা জামাই গরিব, স্বামীর বউ তার কালো
দুইজনেই কয় এমন সংসার, ভেঙ্গে দেওয়াই ভালো।
দুইজনেই ভুইলা তাদের, দুই মানিকের কথা
সোনার সংসার ভেঙ্গে দিল, এ দুই মাতা পিতা।
নিজের ভুলে পথ হারিয়ে, পথভোলা এই নারী
নিজেই নিজের ঘর ভাঙ্গিয়া, গেল বাপের বাড়ি।
ভেবেছিল ভাইয়েরা তার, আগের মতই আছে
আগের মতই বাসবে ভালো টানবে বুকের কাছে।
বাপের বাড়ি গিয়ে দেখে ভাবনাটা তার ভুল
ভাই ভাবিদের হাতে এখন ,বিষ কাঁটা আর হূল।
কথায় কথায় কথার খুটার, হূল কাঁটা দেয় গায়
পাড়াপড়শি ও কাটা গায়ে ,লবণ দিয়ে যায়।
ভাই ভাবীদের কাছ থেকে এই, আঘাত পাওয়ার পর
বুঝতে পারে স্বামীর ঘরেই, নারীর আসল ঘর।
হেলায় হেলায় ঘর ভাঙ্গিয়া ,ঘর হারা এই নারী
চোখের জলে বক্ষ ভাসায় ,বইসা বাপের বাড়ি।
ওইদিকে তার স্বামী আবার, করছে আরেক বিয়ে
বিয়ে করে পড়ছে জ্বালায়, বাচ্চা দুটো নিয়ে।
এমনিতেই এই বাচ্চা দুটোর, মা নাই তাদের কাছে
এখন আবার সৎ মা তাদের, লেগে থাকে পাছে।
খানা খাদ্য খায় না ওরা ,সারাটা দিন ঝিমায়
এদের নিয়ে বাপটা পরছে, ফাটা বাঁশের চিপায়।
চিপায় পইরা বাপটা কান্দে, বাচ্চা বাপের দোষে
মা টা কান্দে ঘর হারাইয়া, ভাইয়ের ঘরে বসে।
এই যে এত কান্নাকাটি, এত চোখের জল
সবটা হইলো হেলায় হেলায় ,ঘর ভাঙ্গিবার ফল।
কারো বুকে ঘর ভাঙ্গিবার ,স্বপ্ন যদি জাগে
এদের একটু দেইখা নিও, ঘর ভাঙ্গিবার আগে।

তুরস্কের একটি ফোক কবিতা


“তুমি বলো, তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো,
কিন্তু তার তলে তুমি ছাতা নিয়ে হাঁটো।
তুমি বলো, তুমি সূর্য ভালোবাসো,
কিন্তু রোদের দিনে তুমি ছায়া খোঁজো।
তুমি বলো, তুমি বাতাস ভালোবাসো,
কিন্তু যখন সে আসে তুমি জানালা বন্ধ করে দাও।
তাই আমি ভয় পাই
যখন তুমি বলো, তুমি আমাকে ভালোবাসো।”

Friday, May 24, 2024

প্রাণের বাংলা ভাষা

 ভিন্ন ভাষা খা*ইলো চু*ষে বাংলা ভাষার মৌ

আম্মা থেকে মাম্মি হল ওয়াইফ হয়েছে বউ।
পাখা শব্দ ধীরে ধীরে হয়ে গেল ফ্যান
এক"শ হলো হান্ড্রেড আর দশ হয়েছে টেন।
দুঃখিত টা মরে গেল সরির চাপে পড়ে
থ্যাঙ্ক ইউ টা বসল চেপে ধন্যবাদের ঘাড়ে।
শিক্ষাগুরু টিচার হল বিদ্যালয় স্কুল
না*পিত ভাইয়ের সাইনবোর্ডে হেয়ার হল চুল।
পাঠানো বা প্রেরণ শব্দ হয়ে গেল সেন্ট
বন্ধু বান্ধব ‌দোস্তরা সব হয়ে গেল ফ্রেন্ড।
অংশ শব্দ ধ্বংস হয়ে হয়ে গেল পার্টস
শুশ্রু সেবা প্রদানকারি সেবিকারা নার্স।
সঠিক শব্দ রাইট হলো আর ভুলটা হলো রং
শক্তিশালী শব্দটা আজ হয়ে গেল স্ট্রং।
ভাষার পথের প্যাচালী তে রাস্তা হল রোড
চাকরি-বাকরি জব হলো আর খাবার হল ফুড।
বিজ্ঞাপনে সাবান শব্দ হল বিউটি সোপ
যাতায়াত টা জার্নি হল স্টপ হয়েছে চুপ।
ভ্রমণ শব্দ ট্যুর হলো আর জুতো হল শো
মোবাইল ফোনে এক দুইয়েরা হইল ওয়ান আর টু
বাঙালির ভাত রাইস হয়েছে প্রাইচ হয়েছে দাম
প্রেসক্রিপশনে ইংরেজিতেই হইল আমার নাম।
বই বিতানের নাম করনে বই হয়েছে বুক
চালক থেকে ড্রাইভার হল হাজার হাজার লোক।
এই হল আজ ভাষার প্রতি বাঙ্গালীদের টান
কথায় কথায় সবার মুখে ভিন্ন ভাষার গান।
ভাষার প্রতি আমরা আজি এতই উদাসীন
নিজের ভাষা রেখেও করি অন্য ভাষা ঋণ।
মায়ের ভাষা ভাসিয়ে দিয়ে সাত সাগরের জলে
গর্ব করে ভিন্ন ভাষায় যাচ্ছি কথা বলে।
শহীদরা যেই ভাষার লাগি বিলিয়ে দিল প্রাণ
তার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া বড়ই বেমানান।
ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আসুন করি পণ
মায়ের ভাষায় করবো মোরা সকল আলাপন।
কবিতাঃ- প্রাণের বাংলা ভাষা
কে লিখেছে জানি না তবে কবিতা ভালো লাগছে অনেক।

source : https://www.facebook.com/100006163304280/posts/3625357191013022/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

কিশোরগঞ্জের মানুষ আমরা

 কিশোরগঞ্জের মানুষ আমরা

চাচারে কই জ্যাডা
যেসব ধানে চাউল না থাকে
এইডারে কই চ্যাডা।
সবাই ডাকে টাকি মাছ আর
আমরা ডাকি লাডি
ষাঁড় গরুরে ডেঁহা কই আর
বকরিরে কই ফাঁডি।
মসজিদ রে কই মচিদ এবং
বাতিরে কই বাত্তি
ঢাকনারে কই ঢাহুন আমারা
ছাতারে কই ছাত্তি।
সবাই যারে ঝাড়ু ডাকে
এইডারে কই হাচুন
বাতাস করার হাতপাখারে
আমরা বলি বিচুন।
টিকটিকিরে আড়ল কই আর
কাকেরে কই কাউওয়া
গুতা কিংবা খোঁচাটারে
আমরা বলি ঘাউওয়া।
খাবার দেখে লোভ করে যে
তারে ডাকি চাবড়া
চুরি করার অভ্যাস থাকলে
কই তারে হাত লাবরা।
কুয়াশা রে উঁশ বলি আর
ডাটারে কই ডেঙ্গা
কাঠের কিম্বা বাঁশের তৈরি
লাঠিরে কই টেঙ্গা।
লুঙ্গিরে কই তবন আমরা
শকুনরে কই হহিন
বাচ্চা দেওয়ার আগ পর্যন্ত
গাভীরে কই বহিন।
গরু ছাগল হাঁস মুরগির
বিষ্টারে কই লেদা
ছোট বড় সব ধরনের
ছিদ্ররে কই ছেদা।
ফুফুদেরকে ফুজি ডাকি
পাট গাছরে কই নাইল্যা
চিংড়ি মাছরে ইঁচা ডাকি
কালোরে কই কাইল্যা।
কথা শুনে করতে পারো
তোমরা হাসাহাসি
তবুও আমরা এমন করেই
কইতে ভালোবাসি।
আমার গাঁয়ের ভাষা
ফেরদৌস আহমেদ

source>> https://www.facebook.com/100090859584641/posts/387900894248560/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?

  এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...