Showing posts with label funny. Show all posts
Showing posts with label funny. Show all posts

Saturday, December 14, 2024

ফুলকপি সমাচার!!

একজন শখের কবি একবার ফুলকপি নিয়ে একটা কবিতা ফেসবুকে লেখেন!! এরপর যা যা হয়েছিল সেটা ওনার বয়ানেই শুনুন.....

“মানুষের মাথায় ভূত চাপে, আমার মাথায় চেপেছিলো ফুলকপি!! কোন দুঃখে আমি সেদিন ফুলকপি নিয়ে একটা ছড়া লিখেছিলাম,
"শীতের দিনে,
তোমার কাছে,
ফুল চাইনি প্রিয়;
সময় পেলে,
রান্না করে,
ভাজা ফুলকপি দিও!!"
ফেসবুকে এই ছড়া পোস্ট করার পর, আমার জীবন এবং যৌবন ''ভাজা ভাজা, তিলের খাজা'' হয়ে গেছে !!
বউ আমাকে বললো:- এই কবিতা কার উদ্দেশ্যে লিখেছো?
আমি সরল গলায় বললাম, "কার উদ্দেশ্যে মানে?"
এরপর একদমে অনেকগুলো প্রশ্ন করলো!! সবমিলিয়ে প্রায় শ-পাঁচেক প্রশ্ন; সব কটা প্রশ্ন আমার মনে নেই; অল্প কয়েকটা মনে আছে যেমন:-
১. প্রথম লাইনে একটা শব্দটা আছে, "প্রিয়"!! কে তোমার প্রিয়?
২. কে তোমাকে ফুল দেয়?
৩. কেন দেয়?
৪. কীভাবে দেয়?
৪. কোথায় দেয়?
৫. দিনে কয় বার দেয়?
৬. কি ফুল দেয়?
৭. আর কি কি দেয়?
৮. কি কি দিতে বাকি রাখছে?
৯. তাজা ফুল না প্ল্যাস্টিকের ফুল?
১০. কার কাছে তুমি এই শীতে ফুলের বদলে ফুলকপি চাইছো?
১১. এত কিছু থাকতে ফুলকপি চাইতে গেলে কেন?
১২. কাঁচাফুলকপি না চেয়ে রান্না করা ফুলকপি কেন চাইলে?
১৩. অন্য কোনো মেয়ে কেন তোমার জন্য ফুলকপি রাঁধবে?
১৪. ঘরের রান্না মুখে রোচে না?
১৫. ফুলকপি মানে কি সবজি ফুলকপি না এর অন্য কোনো গোপন অর্থ আছে?
১৬. সারাজীবন ফুলকপি খেয়েও শখ মেটেনি?
১৭. আর কত ফুলকপি চাও?
১৮. কবে তোমার পেট ভরবে?
১৯. বুড়ো হচ্ছো আর ক্ষিধে বাড়ছে তোমার না?
২০. পেয়েছো কি তুমি?
২১. তোমাকে কি আমি খেতে দিই না?
২২. রাস্তা ঘাটে ফুলকপি চেয়ে বেড়াও?
২৩. আজ ফেসবুকে চাইছ , কাল কি থালা নিয়ে রাস্তায় বসবে?
২৪. পরশু কি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবে?
২৫. আমার কাছে চাইলে কি আর আমি ফুলকপি দিতাম না?
সর্বশেষ প্রশ্নটা বড়ই নির্মম:-
২৬. তোমার এত নোলা কেন?
আমি কোনও প্রশ্নের উত্তর গুছিয়ে দিতে পারিনি ফলে আমার জীবন হয়ে গেছে ফুলকপিময় !!
সকালে রুটির সাথে ফুলকপি ভাজা, দুপুরে রান্না করা ফুলকপি, রাত্রে ফুলকপি দিয়ে মাছ!! মাঝে বেলায় বেলায় ফুলকপি আর ফুলকপি; মাঝখানে ফুলকপির স্যুপ পর্যন্ত খেতে হয়েছে!! গত এক সপ্তাহে আমি যে পরিমাণ ফুলকপি খেয়েছি, মাটি ও মানুষের উপস্থাপকও তার গোটা জীবনে এতগুলি ফুলকপি দেখেননি!!
আজ সন্ধ্যায় বললাম, আদা দিয়ে একটু লাল চা করে দাও, একটু সর্দি লেগেছে!! ও পাথর মুখ করে চা বানাতে গেলো; আর আমি ভয়ে ভয়ে রইলাম!! চায়ে আদার বদলে ফুলকপি দিয়ে ফেলে কিনা কে জানে!! অশেষ কৃপায় খানিকবাদে ও আদা চা নিয়ে এলো; গলাটা একটু কোমল করে বলল, খালি পেটে চা খাবে না। ফুলকপির বড়া ভেজেছি। ওটা খেয়ে তারপর চা খাও !!
পুনশ্চ:- আরেকটা প্রশ্ন ছিলো এখন মনে পড়েছে!! "কি আছে ফুলকপিতে, যা আমার নেই? (বলে কান্না)
পুনশ্চ ২ :- আরেকটা প্রশ্নও ছিল; এক্ষুনি মনে পড়লো:- "সত্যি করে বলো তো, আমাকে না জানিয়ে তুমি এ পর্যন্ত কতগুলি ফুলকপি খেয়েছো? লুকিয়ে লুকিয়ে!!”
©️লিখা: আশীফ এন্তাজ রবি.

Saturday, September 28, 2024

বল্টু

 ●বল্টু : আমার একটা সমস্যা হচ্ছে।

ডাক্তার : কি..?
বল্টু : যখন যার সাথে কথা বলি তাকে
দেখতে পাইনা।
ডাক্তার : কখন এরকম হয়..? বল্টু: যখন
ফোনে কথা বলি।



.
●খুব মশা কামড়াচ্ছে বলে রেগে
গিয়ে বল্টু বিষ খেয়ে
নিলেন। ....বললেন, নে এবার রক্ত খা,
খেলেই মরবি। .
●জেলকর্তা : কাল তোমার ভোর ৫
টায় ফাঁসি হবে।
এটা শুনে বল্টু হেসে ফেললেন।
জেলকর্তা : হাসছ কেন..?
বল্টু : আরে ধুর !
আমি সকাল ৯ টার আগে উঠিই না। .
●বল্টু সবজি কিনতে বাজারে
গেছেন.....
সবজি ওয়ালা সবজির ওপর জল
ছেটাচ্ছিলেন। তা দেখে বল্টু
কিছুক্ষণ চুপ করে দাড়ালেন। একটু পরে
বললেন, ''ওদের জ্ঞান যদি ফিরে
আসে, থাহলে ওখান থেকে এক
কিলো দিয়েন
তো।"
.
●বল্টু এটিএম থেকে টাকা তুলছিলেন।
পিছন থেকে আরেকজন বললেন,
"হে...হে ! আমি
আপনার পাসওয়ার্ড দেখে নিয়েছি,
ওটা হলো চারটে অ্যাসটেরিকস (****)
বল্টু : 'হাহা ! আপনি ভুল,
ওটা হলো ২৭৮৬'
.
●পুলিশ : আপনি বিবাহিত..? বল্টু : হ্যা,
একজন মহিলার সাথে। পুলিশ : আরে !
সেতো বটেই, কেউ কি ছেলের
সাথে বিয়ে করে নাকি..? বল্টু : হ্যা
,করেছে তো ! আমার বোন।
.
●হাসপাতালে নার্স : অভিনন্দন,
আপনার ঘরে ছেলে হয়েছে। বল্টু :
আরিবাবা ! কি টেকনোলজির যুগ,
বিবি
হাসপাতালে আর আর ছেলে ঘরেই
হলো । .
●বল্টু একটা মাছির ডানা কেটে
দিয়ে তাকে উড়তে বললেন, কিন্তু
মাছি উড়ল না।
বল্টু : তাহলে এখান থেকে প্রমানিত
হলো যে, ডানা কেটে দিলে মাছি
শুনতে পায় না।
.
●ম্যারাথন দেখতে গিয়ে বল্টু : আচ্ছা
এত লোক দৌড়াচ্ছে কেন..? ব্যক্তি :
এটা ম্যারাথন হচ্ছে, সবাই দৌড়াচ্ছে,
চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পাবে। বল্টু : শুধু
চ্যাম্পিয়নই যদি পুরস্কার পায়, তাহলে
বাকিরা দৌড়চ্ছে কেন..?
.
●বল্টু একটা পিজ্জা অর্ডার
দিয়েছেন।
বেয়ারা : স্যার, এটাকে আট পিস করব,
না চার পিস..?
বল্টু : চারই করে দে, আটটা বড্ড বেশি
হয়ে যাবে, খেতে পারব না...।।

Sunday, September 22, 2024

তুই কার ভাতিজা

 ভাতিজা : চাচা, এইবার বাড়িতে লাউ গাছ লাগাইছিলাম।

চাচা : ভালো করছোস। বইসা না থাইকা কিছু করা ভালো।
ভাতিজা : তো গাছে একটা বড় লাউ ধরেছিল।
চাচা : বড় লাউ ধরবো না তো ছোট লাউ ধরবো? তুই আমার ভাতিজা না।
ভাতিজা : লাউডারে বিক্রির জন্য বাজারে নিয়া গেলাম।
চাচা : ভালো করছোস, অত বড় লাউ খাওয়া সম্ভব না।
ভাতিজা : বাজারে এক পুলিশ লাউ এর দাম জিজ্ঞেস করলো।
চাচা : পুলিশ হইলেও তো তার বাজার-সদাই করা লাগে, দাম জিজ্ঞেস করবো নাতো কি করবো।
ভাতিজা : আমি ৫০০ টাকা চাইলাম।
চাচা : বড় লাউ, ৫০০ টাকা চাইবি নাতো কি ৫০ টাকা চাইবি?
ভাতিজা : পুলিশ বললো ১০ টাকায় দিবেন।
চাচা : ঠিকইতো বলেছে একটা লাউ কি পুলিশে ৫০০ টাকায় নিবো?
ভাতিজা : আমি বললাম, বাপের জনমে লাউ খাইছেন?
চাচা : ভালো করছোস, তুই আমার ভাতিজা না। তুই কি পুলিশরে ভয় পাইয়া কথা বলবি? ৫০০ টাকার লাউরে সে ১০ টাকা কয়।
ভাতিজা : এরপরে পুলিশে আমার কান ধইরা মইলা দিছে।
চাচা : ভালো করছে, তুই পুলিশের সাথে বেয়াদবি করবি আর সে কি তোরে আদর করব?
ভাতিজা : পরে পুলিশ আমারে থানায় নিয়া গেল।
চাচা : পুলিশতো থানায়ই নিব, সে কি তরে তার শ্বশুর বাড়ী নিব?
ভাতিজা : তারপর বড় দারোগা এসে আমাকে ছেড়ে দিলো।
চাচা : বড় দারোগা তোরে ছাড়বো সেটাই স্বাভাবিক, দেখতে হইবোনা তুই কার ভাতিজা।

Wednesday, September 18, 2024

৫০ বছর পর

 আজ থেকে আর মাত্র ৫০ বছর পর অবস্থা যেমন হতে পারে

ঃহ্যালো ! এটা কি পিৎজা হাট?
ঃনা স্যার, গুগল’স পিৎজা।
ঃআমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?
ঃনা স্যার, দোকানটা কিনে নিয়েছে গুগল !
ঃওকে, আমি কি পিজার অর্ডার দিতে পারি?
ঃস্যার, সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দিবেন?
ঃআমি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেই সেটা আপনি কিভাবে জানেন?
ঃআপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী , আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ পিৎজা অর্ডার করেছেন।
ঃআমি এবারও ওটাই চাই।
ঃকিন্তু স্যার, কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিৎজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।
ঃআমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানেন?
ঃসাবস্ক্রাইবার গাইড থেকে। আমাদের কাছে আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।
ঃআমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দেন । কলেস্টেরল এর জন্য আমি ঔষধ খাই।
ঃকিন্তু আপনি তো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা বক্স কিনেছিলেন।
ঃআমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলা নিয়েছি।
ঃকিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না!
ঃআমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।
ঃআপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি উঠাননি।
ঃআমার অন্য আয়ের উৎস আছে।
ঃআপনার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফর্মে সে তথ্য নাই।
ঃধুর মিয়া, আপনার পিজার গুষ্টি কিলাই। পিজাই খামু না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট ছাড়া দ্বীপে চলে যামু যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।
ঃজ্বী স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে , ৫ সপ্তাহ আগে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
Collected

Friday, May 31, 2024

বউ না থাকলে

 কার লেখা জানিনা ; তবে বউ না থাকা কোন মহাপুরুষেরই হবে মনে হয়

$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
বউ না থাকলে,
একটা ছোট্ট হারপিক অন্তত দশ বছর চলতে পারে...
বউ না থাকলে,
একটা রুম ফ্রেশনারে সারা জীবন চলে যায়...
বউ না থাকলে,
একটা ঘর মোছা ন্যাতা অন্তত পাঁচ বছর টেকে...
বউ না থাকলে,
একটা পাতি দাঁতের ব্রাস দু বছর অব্দি চলে...
বউ না থাকলে,
ডিওর কোনো প্রয়োজনই নেই..
বউ না থাকলে,
তোয়ালে কেনার প্রশ্নই নেই। একটা গামছাই যথেষ্ট। পা মোছা গামছা, হাত মোছা তোয়ালে, মুখ মোছা টিস্যু, পিঠ মোছা টাওয়াল ইত্যাদি সমস্ত বিভাজন একটা সুতির গামছাই মেটাতে পারে।
বউ না থাকলে,
জল আর উইল্কিনশন ব্লেডেই দিয়েই দাঁড়ি কামানো যায়। ফোম লোশন ইত্যাদি নিশ্চিন্তে ভুলে যেতে পারেন...
বউ না থাকলে,
এরিয়াল, সার্ফ এক্সেল ইত্যাদির প্রয়োজন হয় না। পাঁচ টাকার রিনের গুড়ো তিন মাস চলবে...
বউ না থাকলে,
হিম্যান ওম্যান শিম্যান ইত্যাদি বিভাজনের প্রশ্ন ওঠে না। জুই ফুল গন্ধ শ্যাম্পুও অবলিলায় গায়ে মাথায় মাখা যায়... লাল লাইফবয় সাবানও খুশিতে মাখা যায়... গায়ে বা মাথায়।
বউ না থাকলে,
কোলগেটের গুঁড়োতেই কাজ চলে। নুন দেওয়া, চারকোল ঠোসা, লবঙ্গ পেষা, ফ্লোরাইড, ভিজিবল হোয়াইট ইত্যাদি পেষ্টের দরকার হয় না...
বউ না থাকলে,
জামা প্যান্ট ইস্ত্রি করানোর খরচ শূন্য. তাছাড়া ইস্ত্রি লাগে এমন জামাকাপড় কেনারও প্রয়োজন নেই। পাতি টেরিকটের শার্টেও "ও লাভলি" বলার লোক প্রচুর আছে, সবাই যদিও স্বীকার করে না শিকার হবার ভয়ে...
বউ না থাকলে,
আত্মীয় অনাত্মীয় আপ্যায়নের খরচ খুব কম...একটা ঝাল চানাচুরের প্যাকেটেই দশটা আপ্যায়নের কাজ চলে, মিষ্টি চানাচুর অনেকেই ভালো খান। সেইজন্যই ঝাল ভাবলাম...
বউ না থাকলে,
কেবল কানেকশন লাগে না। ইউটিউব আর টোরেন্ট লিঙ্ক যথেষ্ট.. আর মাঝে সাঝে বড়দের সিনেমা...
বউ না থাকলে,
হিট মর্টিন গুডনাইট অল আউট লাগে না। ডেঙ্গু ম্যালেরিয়ারও ভয় নেই। জানলাই খুলবো না তো মশা আসবে কোত্থেকে... তাছাড়া মশার পছন্দসই ইন্ডোর আগাছাও বাড়িতে থাকে না, বউ না থাকলে...
বউ না থাকলে,
ধুপকাঠি, নকুলদানা, বাতাসা, গুজিয়া, আমিষ নিরামিষ বাসন ইত্যাদি বাবদ জিরো এক্সপেন্স...
বউ না থাকলে,
ইকোপার্ক নিকোপার্ক নলবন নানা ইকো রিসোর্ট ইত্যাদি যেতে লাগে না। বুড়ো আমগাছ তলায়, আরো জনা দুই বউছাড়া বন্ধুর সাথে বসে বিশ্বভ্রমনের সুখ পাওয়া যায়! টেকনিকটা জানতে হবে শুধু...
বউ না থাকলে,
একবার মশারি টাঙালে অন্তত একমাস খোলার দরকার নেই। ধার গুটিয়ে গুটিয়ে ঠিক চালিয়ে নেওয়া যায়.. বছরে দুবার বিছানার চাদর আর বালিশের ওয়ার পাল্টানো যথেষ্ট...
বউ না থাকলে,
বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডালসেদ্ধ ঘি দিয়ে আর কাটা কাতলা পেটি ভাজা খেয়ে একশো বছর সুস্থ ভাবে বাঁচা যায়। দশ রকম শাক, নানা কিসেমর ভাজা, বড়ি সুক্ত সব্জি কাসন আচার যত্তসব..
এবং আরো আরো আরো... প্রচুর আছে এই তালিকার লিষ্ট। বহুজাতিক থেকে আঞ্চলিক ব্যবসা যত, সবই টিকে আছে শুধু নারীদের ভিত্তি করেই। এবং টিকে আছি আমরাও। আমাদের গায়ে গন্ধ নেই, শার্টে রিঙ্কেল নেই, মুখে ব্রন নেই..., এও তো কোনো না কোনো নারীর খ্যাকানির ভয়েই। আমাদের রুপ, শিষ্টাচার, বা আরও যা কিছু পুরুষালি কাজকর্ম সবই তো কোনো না কোনো নারীর জন্যই। কথাতেই আছে না..
বন্যরা বনে সুন্দর
পুরুষেরা নারীর ভয়ে..
ভয়ে? নাকি ভালোবাসায়? নাকি ভক্তিতে? নাকি সবগুলো মিলে মিশেই..?
বড় জটিল এর উত্তর..
বোঝার ক্ষমতা নেই আমাদের.. বুঝে কাজও নেই..
এই বেশ টিকে আছি..🤣😜
(সংগৃহীত)

source : https://www.facebook.com/100003960194653/posts/2954863584655619/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

Sunday, May 26, 2024

মায়েরা আর বদলালো না

 *আইজাক নিউটনের মা-*

" আপেল নিয়ে তো ঘাঁটাঘাটি করছিস, না ধুয়ে খাবি না কিন্তু!"
*আর্কিমিডিসের মা*
আচ্ছা তুই যে জামাকাপড় না পরে রাস্তা দিয়ে দৌড়ুলি তোর লজ্জা করল না? ভাল কথা "ইউরেকা, ইউরেকা" বলে যে মেয়েটাকে ডাকছিলি সেটা কে??
*থমাস এডিসনের মা*
বাল্ব আবিস্কার করে তো আমাকে ধন্য করে দিয়েছ। যাও এখন আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়....চেহারাটা কি হয়েছে, তোর ঘুমের দরকার বুঝলি?
*আব্রাহাম লিঙ্কনের মা*-
এখন তো প্রেসিডেন্ট হয়েছিস? ভগবানের দোহাই এবার এই জঘন্য পুরোন কোট, আর এই অসহ্য টুপিটা ছাড়। দোকানে গিয়ে নিজের জন্য একটা ভাল দেখে পোষাক কিনে আন।
*জেমস ওয়াটের মা-*
তুই যদি এখন বসে বসে ঢাকনার ওঠানামা দেখিস তবে ভাত কিন্তু পুড়ে যাবে বলে দিলাম। গ্যাসটা বন্ধ কর।
*গ্রাহাম বেলের মা-*
তুই যে এই বোকা বোকা যন্ত্রটা ঘরে লাগিয়েছিস, ঠিক আছে। কিন্তু এটা নিয়ে দিনরাত মেয়েদের সাথে গুজুর গুজুর ফুসুর ফুসুর করবি, তা কিন্তু চলবেনা একথা আমি আগেই বলে দিলাম।
*গ্যালিলিও গ্যালিলির মা*
কি ছাতার যন্ত্র বানিয়ে চাঁদ দেখার চেষ্টা করছিস? এটা তো কোন কাজেরই না। চাঁদ তো দূরের কথা এতে তো আমি মিলানোতে আমার বাপের বাড়ীই দেখতে পারছি না।
*অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মা*
আচ্ছা এটা তাহলে তোর গ্র্যাজুয়েট হবার ছবি? ভাল। আচ্ছা তুই চুল কাটিস না কেন? একটা জেল টেল কিছু ব্যাবহার কর। কি বিশ্রী অবস্থা হয়েছে চুলের।
*বিল গেটসের মা*
দিনরাত ইন্টারনেট ঘাঁটছিস। একদিন যদি দেখি না উল্টোপাল্টা কিছু দেখছিস তবে তোর একদিন কি আমার একদিন বলে রাখলাম।
*ড্যানিয়েল ফারেনহিটের মা-*
তোর এই গরম জল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি বন্ধ কর। আমায় চা বানাতে হবে।
*রবার্ট বয়েলের মা*
ব্যাস্তানুপাতিক মানে বুঝেছি। তোর ভল্যুম অর্থাৎ পরিমান বেশী হলে প্রেশার মানে চাপ কমে যাচ্ছে এই তো? তোর কোষ্ঠকাঠিন্য হয়েছে। তুই জোলাপ খা।
*ক্রিষ্টোফার কলম্বাসের মা*
কোথায়, কোন চুলোয় যাচ্ছ, কি আবিস্কার নিয়ে তুমি ব্যাস্ত, ওসব নিয়ে আমার কোন চিন্তা নেই। যেখানে যাবে ফোন করবে না হলে অন্ততঃ দু লাইন লিখে একটা চিঠি পোষ্ট করবে।
*সারদা মা
একশো জনকে খাওয়াতে হবেনা কিন্তু চোখের সামনে একজন ক্ষুধার্ত দেখলে তাকে একটু খেতে দিও।
(সংগৃহীত)

ভয়

 গতকাল ফেসবুকে একটা ছবি পোস্ট করেছিলাম আর ছবির ক্যাপশন ছিলো, ❝ এই রোমান্টিক আবহাওয়ায় যার বউ নাই তার কোলবালিশ আছে অথচ আমার বউ কোলবালিশ কোনটাই নাই ❞

আজ সকালে দেখি আমার গার্লফ্রেন্ড শ্রাবণী একটা কোলবালিশ নিয়ে আমার অফিসে এসে হাজির।
আমায় দেখে মিষ্টি হেসে বললো,
- “তোমার তো কেউ নেই তাই তোমার জন্য একটা কোলবালিশ নিয়ে আসলাম”
আমি কিছুটা ভয়ে ভয়ে বললাম,
-“পোস্টটা তো আমি মজা করে করেছি। তুমি সিরিয়াসলি নিচ্ছো কেন?”
শ্রাবণী দাঁতে দাঁত চেপে নিজের রাগটা কন্ট্রোল করে বললো,
- “তোমায় কে বলেছে রোমান্টিক আবহাওয়ায় একা একা থাকতে?এতোদিন বিয়ের কথা বললে বলতে, “আগে পড়াশোনাটা শেষ করি” পড়াশোনা শেষ হবার পর যখন বিয়ের কথা বললাম তখন বলেছো, “আগে একটা চাকরির ব্যবস্থা করি” এখন চাকরি পাবার পর যখন বিয়ের কথা বলি তুমি শুধু এই সমস্যা ওই সমস্যা দেখাও। সত্যি করে বলো তো তুমি কি চাও?”
আমি বিড়বিড় করে বললাম,
- “শান্তি চাই।”
- “ঠিক বুঝলাম না? কি বলেছো তুমি?”
আমি আমতা আমতা করে বললাম,
- “আসলে সামনের মাসে আমার মামাতো বোনের বাচ্চা ডেলিভারি। ওর বাচ্চাটা হয়ে গেলেই আমরা বিয়ে করে নিবো?”
শ্রাবণী অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- “মামাতো বোনের বাচ্চা ডেলিভারির সাথে আমাকে বিয়ে না করার কি সম্পর্ক?”
কথাটা বলার পর বুঝতে পেরেছি আমি কতবড় বোকামি করেছি।আসলে শ্রাবণীর রাগী চেহারা দেখলে আমি আমার ভিতর থাকি না।সব এলোমেলো হয়ে যায়। জানি না কোন আহাম্মক বলেছিলো মেয়েরা রাগলে সুন্দর লাগে। কিন্তু আমার তো মনে হয় নারী জাতি রাগলে ক্ষুধার্ত বাঘিনীর মতো লাগে।
আমি তখন বললাম,
- “আসলে আমার মামাতো বোনটা ৯ মাসের প্রেগন্যান্ট। ও আমায় বারবার বলেছে আমার বিয়েতে নাকি ও নোরা ফাতিহির মতো বেলি ডান্স দিবে।একটাবার কল্পনা করে দেখো আমাদের বিয়ে হচ্ছে আর সেই বিয়েতে সকল মানুষের মাঝে ৯মাসের প্রেগন্যান্ট একটা মেয়ে বেলি ডান্স দিচ্ছে। বিষয়টা কতটা জঘন্য হবে বুঝতে পারছো? ”
কথাটা শোনার পর শ্রাবণী যখন চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকালো তখন আমার অফিস কলিগ শাহীন ভাই এসে হাজির। এই লোকটাকে দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। আমি এমনও দেখেছি ৬ বছরের সংসার ভেঙে গেছে উনার এক কথাতে।
উনি আমাকে দেখে চোখ মুখ শক্ত করে বললো,
- “আরে পিয়াস সাহেব, আপনি এখানে। আপনাকে নিয়ে তো পুরো অফিসে আলোচনা হচ্ছে”
আমি অবাক হয়ে বললাম,
- “আমাকে নিয়ে আলোচনার কি আছে?”
শাহীন সাহেব আমার আরো কাছাকাছি এসে বললো,
- “ GM ম্যাডাম তো আজ উনার দেড় বছরের বাচ্চাটাকে নিয়ে অফিসে এসেছে।বাচ্চাকে দেখে তো আমরা সবাই অবাক। হুবহু আপনার মতো দেখতে।সেইম আপনার মতো নাক, মুখ, কান। সবাই বলাবলি করছে এই বাচ্চাটা আপনার। আর এজন্যই নাকি ম্যাডাম আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা চোখে দেখে।তাছাড়া বহুদিন আগে শুনেছিলাম আফিশিয়াল কাজে আপনারা দুইজন একবার কক্সবাজার গিয়েছিলেন তখন নাকি হোটেলে একটা রুমেই খালি ছিলো। আপনারা নাকি একসাথে একই রুমে রাত কাটিয়ে ছিলেন।”
কথাটা শুনার পর আমি বিরক্ত হয়ে উনাকে বললাম,
- “আপনি এইসব আজগুবি কথা কোথা থেকে শুনেন?”
শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবতে লাগলাম, মেয়েরা রেগে গেলে সুন্দর লাগে না, সুন্দর লাগে তখন যখন মেয়েরা অনেক কষ্টে কান্না চেপে রাখে।কি ভয়ংকর রকম সুন্দর লাগছে শ্রাবণীকে।শ্রাবণী কিছু না বলে চলে যেতে লাগলো।
আমি পিছন পিছন যেতে যেতে বললাম,
- “বিশ্বাস করো ম্যাডামের সাথে আমার এমন কোন সম্পর্ক নেই। তাছাড়া আমার তো বাবা হবার সম্ভাবনাই নেই? ”
শ্রাবণী আমার দিকে ঘুরে তাকিয়ে বললো,
- “কেন সম্ভাবনা নেই?”
কথাটা বলার পর চিন্তা করতে লাগলাম, এটা আমি কি বললাম!আমি সবসময় উল্টো পাল্টা বেফাঁস কথা বলে বিপদে পড়ি।
শ্রাবণী রেগে বললো,
- “কি হলো চুপ করে আছো কেন?”
আমি কি বললো না বলবো ভাবতে ভাবতেই খেয়াল করি দেয়ালে একটা পোস্টার আর তাতে লেখা, – “ আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন?তাহলে আপনার একমাত্র ঠিকানা হাকিম কবিরাজ। যোগাযোগঃ০১৭—----”
আমি মাথা নিচু করে দেয়ালের পোস্টারটা শ্রাবণীকে দেখিয়ে বললাম,
- “আমার উনার কাছে যেতে হয় প্রায় সময়।বাকিটা তুমি বুঝে নাও ”
শ্রাবণী আমার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে বললো,
- “ছিঃ পিয়াস, তুমি এইসব নিয়ে ভয় পাচ্ছো কেন?আমার এইসবের প্রয়োজন নেই।তাছাড়া এইসব আলতু ফালতু কবিরাজের কাছে না গিয়ে ভালো ডাক্তার দেখালে তুমি ঠিক হয়ে যাবে। এখন চলো আমাকে ফুচকা খাওয়াবে।”-----
—---
কথায় আছে যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়।আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। শ্রাবণীকে নিয়ে যখন ফুচকার দোকানে গেলাম তখন খেয়াল করি আমার মামাতো বোন লামিয়া সেখানে।
আমাকে দেখে সে আমার কাছে এসে বললো,
- “উনিই তাহলে শ্রাবণী ভাবি?আচ্ছা তোরা এখনো বিয়ে করছিস না কেন?আমার কতদিনের শখ তোর বিয়েতে আমি নাচ করবো”
শ্রাবণী অবাক হয়ে বললো,
- “তুমি না প্রেগন্যান্ট?”
লামিয়া আরো অবাক হয়ে বললো,
- “নাউযুবিল্লাহ, আমার তো বিয়েই হয় নি। তাহলে প্রেগন্যান্ট হবো কিভাবে?”
শ্রাবণী রাগে যখন চলে যেতে লাগলো তখন আমি ওর পিছন পিছন এসে ওর হাতটা ধরে বললাম,
- “প্লিজ তুমি আমায় ভুল বুঝো না।আসলে আমি বিয়ে করতে ভয় পাই আমার বাবার জন্য?”
শ্রাবণী চোখের পানি মুছতে মুছতে বললো,
- “মানে কি! তোমার বিয়ে করার সাথে আংকেলের কি সমস্যা?”
আবার বেফাঁস কথা বলে ফেলেছি।বেচারা বাবার উপর এখন দোষ চাপাতে হবে।
আমি শ্রাবণীকে বললাম,
- “জন্মের পর থেকেই দেখেছি বাবা মায়ের উপর অত্যাচার করে।রঞ্জিত মল্লিক প্যান্টের বেল্ট খুলে যেমন গুন্ডাদের মারতো তেমনি প্রতি রাতে বাবা প্যান্টের বেল্ট দিয়ে মাকে মারতো।অথচ মা বাবা প্রেম করে বিয়ে করেছিলো। আমার ভয় হয় বিয়ের পর আমিও যদি বাবার মতো বদলে যায়। তোমার উপর অত্যাচার করি। ”
কথাগুলো বলে হালকা আবেগে কেঁদে দিলাম। শ্রাবণী আমায় জড়িয়ে ধরে বললো,
- “এমন কিছুই হবে না।তুমি যাকে এতো ভালোবাসো তার গায়ে তুমি কখনো হাত উঠাতে পারবে না?”---
—---
একদিন সকালে শ্রাবণী আমাদের বাসায় এসে হাজির।আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই বাবা রান্নাঘর থেকে বের হয় কপালের ঘাম মুছতে মুছতে মাকে বললো,
- “ওগো শুনছো? সকালের নাস্তা তৈরি হয়ে গেছে। তোমার নাস্তা করা হয়ে গেলে আমি প্লেটগুলো ধুয়ে অফিস যাবো।একটু যদি তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে”
শ্রাবণী আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- “হারামি, আমি বিয়ের আগেই আজ বিধবা হবো”---
রাস্তায় আমি দৌড়াচ্ছি আর ভাবছি, - “শ্রাবণীকে কি করে বলি বাবাকে দেখে আমার বিয়ের শখ মিটে গেছে।আল্লাহ ৩০টা দিন মা বাবাকে দিয়ে সংসারের সমস্ত কাজ করায়।আমার সাথে যদি এমন হয়।সেই ভয়েই তো বিয়ে করি না… ”

source: https://www.facebook.com/100030414963356/posts/1170877090602779/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?

  এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...