দয়া করে পাখিদের খাবার নষ্ট করবেন না।
এই সময় পাখিদের মন্দা কাল( খাবারের সংকট) চলে।
গাছের নিচে বা রাস্তায় পড়ে না থাকলে বা খুব দরকার ঔষুধী কাজ না হলে কদম ফুল সহজে ছিঁড়বেন না, কারণ কদম ফুল তিনবার ফুটে তারপর সে খাবার হয় পাখিদের। পাখিদের বর্জ্য থেকেই কেবল প্রাকৃতিক কদম চারা জন্মায়। প্রতি কদমফুলে প্রায় ৮ হাজার বীজ থাকে। যা পাকলে পাখি, বাদুড় ও কাঠবিড়ালির খুব প্রিয় খাবার হয়৷
ভাদ্রমাসে যখন গাছে গাছে ফল থাকে না তখন পাখিদের প্রাণীদের খাবারের আকাল চলে। কদম তখন প্রধান খাবার হয়ে ওঠে পাখি, বাদুড় ও কাঠবিড়ালির জন্য। ওরাই বীজ ছড়ানোর বাহন। ফলে ফুল যদি আগেই ছিঁড়ে ফেলা হয় তাহলে পাখিরা খাদ্য বঞ্চিত হবে এবং একসময় আমরা কদমের শোভা থেকে বঞ্চিত হবো।
কদম ফুল ছিঁড়া থেকে বিরত থাকি
ধন্যবাদ
https://www.facebook.com/100066310669489/posts/794552239431791/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v