হেলাল হাফিজ শান্তি পায়নি জীবনে। হেলেন কি পেয়েছিল?
Saturday, December 14, 2024
ভাবী মেয়েটা একদম আমার মায়ের মত
Thursday, December 12, 2024
পরিস্থিতির কাছে মানুষ অসহায়
একটা মেয়ে তার Boy Friend কে জিজ্ঞেস
করেছিলোঃ
--আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে
হয়ে গেলে তুমি কি করবে?
--ছেলেটা উত্তর দিলো, ভুলে যাবো
ছেলেটার উত্তর শুনে মেয়েটি রাগে
অন্যদিকে মুখ ঘোরালো।
ছেলেটি আবার বললো:
--সবচেয়ে বড় কথা
। আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে
যাবো। তার চেয়েও বেশি দ্রুত
তুমি আমাকে ভুলে যাবে।
প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ
--কি রকম?
ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ
"মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক
ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে
গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ,
চারিদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ,
মানুষের ভিড়। তুমি চাইলেও তখন আমার
কথা মনে করতে পারবে না। ''আর আমি তখন
তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়তো কোন বন্ধুর
সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে
থাকবো। আর একটু পর পর তোমাকে
হৃদয়হীনা বলে
গালি দিবো। আবার পরক্ষনেই পুরাতন
স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদবো। "বিয়ের পরের দিন তোমার আরো
ব্যস্ত সময় কাটবে। আর প্রথম সপ্তাহে ' স্বামী আর মিষ্টির
প্যাকেট, এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি
বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে ঘুরে
বেড়াবে।
আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মনে
হবে। এই যে যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক
সাথে গাড়িতে চড়ার সময়। আর আমি তখন
ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব। আর বন্ধুদের
বলবো, বুঝলি দোস্ত, জীবনে প্রেম
ভালোবাসা কিছুই নাই সব মিথ্যা। "পরের মাসে
তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাড়ি পাবে,
শপিং, ম্যাচিং,শত প্লান, আর স্বামীর
সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি
বিরাট সুখে,
হয়তো আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার
সাথে বিয়ে না হয়েই বোধ হয়
ভালোই হয়েছে। আমি ততদিনে বাপ, মা,
বন্ধুর ঝাড়ি খেয়ে
মোটামুটি সোজা হয়ে গিয়েছি।
ঠিক করেছি কিছু একটা কাজ করতে হবে,
তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে
করে
তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে।
সবাইকে বলবো, তোমাকে ভুলে গেছি।
কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার
এসএমএস গুলো বের করে পড়বো আর
দীর্ঘ একটা শ্বাস ছাড়বো। "পরের দুই বছর পর তুমি
আর কারো প্রেমিকা কিংবা
নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো।
পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ,ভালোবাসা
এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার,হামের টিকা
এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকবে।
অর্থাৎ তখন আমি তোমার জীবন থেকে
মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে
যাবো। এদিকে ততদিনে আমিও একটা কাজ পেয়ে গেছি।
বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে।
আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত।
এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে
গিয়েছি।শুধু রাস্তা ঘাটে কোন প্রেমিক প্রেমিকা দেখলে
তোমার কথা খুব মনে পড়বে। কিন্তু তখন আর
দীর্ঘশ্বাসটাও আসবে না।
এতদূর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখলো
প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে
ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে।মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ।
একটু পর প্রেমিকা বললোঃ
"তবে কি সেখানেই সব শেষ?
ছেলেটি বলল, না।
কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার
স্বামী নাক ডেকে ঘুমাবে। আর আমার বউও ব্যস্ত
থাকবে নিজের ঘুমের রাজ্যে।শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবেনা। সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশ্বদে কাঁদাবে। সৃষ্টিকর্তা ব্যাতীত সে কান্নার কথা কেউ জানবে না,কেউ না
মেয়েটা তার বয়ফ্রেন্ডকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল
পরিশেষে মেয়েটা এটাই বলল যে
পরিস্থিতির কাছে মানুষ আজ অনেক অসহায় !!!!!
#কবিরূপে_শাকিল_আহমেদ
Source: https://www.facebook.com/100075821261370/posts/607909878413049/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v
আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-একটা উদাহারণ দিই—আমাদের সময় সায়েন্সের ছেলেদের ইউনিভার্সিটিতে এসে ইংরেজি বা ইকোনমিকস পড়া ছিল ফ্যাশন। আমিও ফ্যাশনমতো ইকোনমিকসে ভর্তি হয়ে গেলাম। এক বন্ধু পড়বে কেমিস্ট্রি। তাকে নিয়ে কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে এসেছি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছি। কেমিস্ট্রির একজন স্যার হঠাৎ বারান্দায় এলেন। তাকে দেখে আমি মুগ্ধ। কী স্মার্ট, কী সুন্দর চেহারা। তিনি কী মনে করে যেন আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। সঙ্গে সঙ্গে ঠিক করলাম ইকোনমিকস জলে ভেসে যাক। আমি পড়ব কেমিস্ট্রি। ভর্তি হয়ে গেলাম কেমিস্ট্রিতে। ওই স্যারের নাম মাহবুবুল হক। কালিনারায়ণ স্কলার। ভৌত রসায়নের ওস্তাদ লোক। যিনি অঙ্ক করিয়ে করিয়ে পরবর্তী সময়ে আমার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিলেন।
পিএইচডি করতে গেলাম ভৌত রসায়নে। কোর্স ওয়ার্ক সব শেষ করেছি। দু বছর কেটে গেছে। একদিন বারান্দায় হাঁটতে হাঁটতে সিগারেট টানছি। হঠাৎ লক্ষ করলাম, তিনশ দশ নাম্বার রুমে বুড়ো এক ভদ্রলোক ক্লাস নিতে ঢুকলেন। রোগা লম্বা একজন মানুষ। গায়ে আলখাল্লার মতো কোট। আমার কী যে খেয়াল হলো কে জানে। আমিও ক্লাসে ঢুকলাম। সমস্ত কোর্স শেষ করেছি, আর কোর্স নিতে হবে না। কাজেই এখন নিশ্চিন্ত মনে একটা ক্লাসে ঢোকা যায়।
বুড়ো ভদ্রলোকের নাম জেনো উইকস। পলিমার রসায়ন বিভাগের প্রধান। আমি তাঁর লেকচার শুনে মুগ্ধ। যেমন পড়ানোর ভঙ্গি তেমনই বিষয়বস্তু। দৈত্যাকৃতি অণুর বিচিত্র জগৎ। ক্লাস শেষে আমি তাকে গিয়ে বললাম, আমি আপনার বিভাগে আসতে চাই। ভৌত রসায়নের প্রফেসর সব শুনে খুব রাগ করলেন। আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, তুমি যা করতে যাচ্ছ, খুব বড় ধরনের বোকারাও তা করে না। পিএইচডির কাজ তোমার অনেক দূর এগিয়েছে। কোর্স ওয়ার্ক শেষ করেছ এবং খুব ভালোভাবে করেছ। এখন বিভাগ বদলাতে চাও কেন? মাথা থেকে এসব ঝেড়ে ফেলে দাও।
আমি ঝেড়ে ফেলতে পারলাম না। ঢুকে গেলাম পলিমার রসায়নে। প্রফেসর জেনো উইকস অনেক করলেন। আমাকে ভালো একটা স্কলারশিপ দিলেন। বইপত্র দিয়ে সাহায্য করলেন। কাজ শুরু করলাম পলিমার রসায়নের আর এক জাঁদরেল ব্যক্তি প্রফেসর গ্লাসের সঙ্গে। পলিমারের সব কোর্স যখন নিয়ে শেষ করেছি তখন প্রফেসর গ্লাস আমাকে তাঁর অফিসে ডেকে নিয়ে বললেন, মাই ডিয়ার সান, দয়া করে এখন শখের বশে অন্য কোনো ক্লাসে গিয়ে বসবে না। ডিগ্রি শেষ করো। আরেকটা কথা, আমেরিকান সিটিজেনশিপ পাওয়ার ব্যাপারে আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই।
আমি বললাম, আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?
‘তুমি চাও না?’
‘না, আমি চাই না। ডিগ্রি শেষ হওয়ামাত্র আমি দেশে ফিরে যাব।’
‘বিদেশী ছাত্ররা শুরুতে সবাই এ রকম বলে। শেষে আর যেতে চায় না।’
‘আমি চাই।’
ডিগ্রি শেষ করে দেশে ফিরলাম। সাত বছর আমেরিকায় কাটিয়ে যে সম্পদ নিয়ে ফিরলাম তা হলো নগদ পঞ্চাশ ডলার, দুই স্যুটকেস ভর্তি বাচ্চাদের পুরানো খেলনা, এক স্যুটকেস বই এবং প্রচুর চকলেট।
আমি যে সব সময় ইমপালসের উপরে চলি তা কিন্তু না। কাজে-কর্মে, চিন্তাভাবনায় আমি শুধু যে গোছানো তা না, অসম্ভব গোছানো। কখন কী করব, কতক্ষণ করব তা আগেভাগে ঠিক করা। কঠিন রুটিন। সময় ভাগ করা, তারপরেও হঠাৎ হঠাৎ কেন জানি মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। উদ্ভট একেকটা কাণ্ড করে বসি। কোনো সুস্থ মাথার মানুষ যা কখনো করবে না।
--অনন্ত অম্বরে। হুমায়ূন আহমেদ।
Sunday, November 10, 2024
A father advised his son
A father advised his son:
Saturday, November 9, 2024
সময় থাকতে জীবিত মা বাবার যত্ন নিন
১০ বছরের বাচ্চাটি বাড়ি বাড়ি খবরের কাগজ বিক্রি করে।একদিন একটা বাড়ির সামনে গিয়ে কলিং বেল বাজালো।
বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয়
বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
জাল মানুষ
মতিউর রহমান সবে সন্ধ্যার নাস্তা শেষ করে চায়ে চুমুক দিয়েছেন। ঠিক এমন সময় কলিং বেল বেজে ওঠে। নিজেই উঠে গিয়ে দরজা খুলতেই দেখেন শুচিতাকে ইংরেজি পড়ায় যে ছেলেটা সে এসেছে। রোগা কালোমতো চেহারা, নীল চেকের উপর ফুলহাতা শার্ট কনুই পর্যন্ত গুটিয়ে রাখা। ছেলেটার নাম মাইনুদ্দিন, জগন্নাথ ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজিতে পড়ে। খুব ভালো নাকি পড়ায়। মতিউর ওর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শুচিতার জন্য একজন ভালো ইংরেজি শিক্ষক খুঁজছিলেন। তখন অফিসের একজন মাইনুদ্দিনের খোঁজ দেয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শুনে নাক কুঁচকে বলেছিল, ঢাকা ইউনিভার্সিটির কাউকে পেলে ভালো হতো। তাই নিমরাজি হয়ে তখনকার মতো ছেলেটাকে রেখেছিল। ভেবেছিল, ভালো কাউকে পেলে ছাড়িয়ে দেবে। কিন্তু মাসখানেক যেতেই শুচিতা নিজ থেকেই বলছিল মাইনুদ্দিন নাকি খুব ভালো পড়ায়। এরপর আর নতুন করে ইংরেজির শিক্ষক খুঁজতে হয়নি মতিউরর।
আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...
-
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...
-
কামরুন নাহার মিশু রাহাত সাহেবের ওয়ালেট থেকে ভুলবশত একটা ভাঁজ করা কাগজ উড়ে এসে আমার পায়ের কাছে পড়ল। রাহাত সাহেব আমার কলিগ। আমরা একই অফিসে ...
-
https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/qfoqepeehe সিলেটের সুরমা নদীর অন্যতম উপশাখা কুশি নদী। কুইগাঙ বা কুশিগাঙ নামে নদীটি বেশি পরিচি...