একদিন এক মাতাল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন, "আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।"
কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনিও তো মদ খান - মাতালের উত্তর।
তখন বিদ্যাসাগর উত্তর দেন, "ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসূদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি “মেঘনাদ বধ” কাব্য লিখে আন।"
এমনই এক সময়ে বিখ্যাত রম্যসাহিত্যিক মার্ক টোয়েন একবার কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেনে চেপে বসে ছিলেন।
কিছুক্ষণ পর কামরায় উঠল টিকিট চেকার। মার্ক টোয়েন গম্ভীর মুখে চেকারের দিকে একটা 'হাফ টিকিট' বাড়িয়ে দিলেন। বুড়ো মানুষের হাতে 'হাফ টিকিট' দেখে টিকিট চেকার অবাক! তাঁর প্রশ্ন, 'কী মশাই, আপনি হাফ টিকিট কেটেছেন কেন? গোঁফ, মাথার চুল সবই তো সাদা। আপনি কি জানেন না চৌদ্দ বছরের বেশি হলে আর হাফ টিকিট চলে না?'
মার্ক টোয়েনের সোজা জবাব, "যখন ট্রেনে চড়েছিলাম, তখন তো বয়স চৌদ্দই ছিল। কে জানত, ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছতে এত লেট করবে!"
রাসেল বৃদ্ধের কথা শুনে অবাক হলেন। প্রশ্ন করলেন, "ঠিক আছে, তাহলে আপনি এবার বলুন, ওই কচ্ছপটা কিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে?"
বৃদ্ধ একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, "হুঁ, আমি তোমাকে বলে দিই আর তুমি তা শিখে ফেল আর
কী! সেটা হতে দেবনা।"
রবীন্দ্রনাথ একবার লিখে পাঠালেন, "আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ।
এজন্য কাল বিকেলে আমার এখানে এসে আপনাকে দণ্ড নিতে হবে।"
চিন্তিত, শঙ্কিত নেপালবাবু পরদিন শশব্যস্ত হয়ে কবির কাছে উপস্থিত হলেন। আগের রাতে দুশ্চিন্তায় তিনি ঘুমাতে পারেননি। এখনো তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ উৎকণ্ঠার মধ্যেই বসিয়ে রেখেছেন কবিগুরু।
অবশেষে পাশের ঘর থেকে একটি মোটা লাঠি হাতে আবির্ভূত হলেন কবি।
নেপালবাবুর তখন ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায়।
তিনি ভাবলেন, সত্যি বুঝি লাঠি তাঁর মাথায়
পড়বে। কবি সেটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, "এই নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন তো?"
এক তরুণী তাঁর বক্তৃতায় অ্যাডিসনকে অযথাই আক্রমন করে বসল, "কী এক ঘোড়ার ডিমের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন, সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই থাকে। আর তাই নিয়ে এত মাতামাতি! ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না…।"
তরুণী বলেই যাচ্ছে, থামার কোনো লক্ষণ নেই।
অ্যাডিসন চুপ করে শুনে গেলেন। পরে বক্তৃতা দিতে উঠে তিনি বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি ভুল করছেন। আসলে সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ঈশ্বর। আমি যেটা আবিষ্কার করেছি সেটি ইচ্ছেমতো থামানো যায়।"
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ :- লক্ষ্মীকান্ত বসু।
No comments:
Post a Comment