Monday, December 30, 2024

হেলাল হাফিজের সেই হেলেন

হেলাল হাফিজের সেই হেলেন - শেকলে আটকে বদ্ধ উন্মাদ অবস্থায় কাটে যার জীবন :
নেত্রকোণার মগড়া নদী। এই নদীর ধারেই ছবির মত সুন্দর মেঘময় আকাশের নিচে ১২-১৩ বছর বয়সের কিশোর হেলাল হাফিজ প্রেমে পড়েছিলেন হেলেন নামের এক কিশোরীর। দীর্ঘদিনের প্রেম, একসাথে গ্রামের মাঠে মাঠে ছুটে বেড়ানো, নদী থেকে কচুরিপানা তুলে হেলেনের খোপায় গুঁজে দেয়া - কত স্মৃতি, কত ভালোবাসার শৈশব কৈশোর কাটে তাদের একসাথে। কিন্তু তাদের এই সুন্দর প্রেমের উপন্যাসে বাঁধ সাধলো দুই পরিবার। কোনোভাবেই কেউ মেনে নিলো না তাদের এই প্রেমকাহিনী। অভিমান করে ঢাকায় এসে পড়লেন কবি। হেলেনের থেকে অনেক দূরত্ব তখন তার। তবুও মনের মধ্যে আশা রাখেন, একদিন হেলেন তার হবে। কিন্তু তা না হয়ে হুট করে একদিন হেলেনের চিঠি আসলো কবির কাছে - "কবি! আগামীকাল আমার বিয়ে, নেমন্তন্ন রইলো।"
চিঠির দিকে চেয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই তখন করার ছিলো না কবির। লিখলেন,
"হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি
নয়তো গিয়েছি হেরে,
থাক না ধ্রুপদী অস্পষ্টতা
কে কাকে গেলাম ছেড়ে।'
ধুমধাম করে হেলেনের বিয়ে হয়ে গেলো ঢাকার বিখ্যাত এক সিনেমা হলের (মুন সিনেমা হল) মালিকের সাথে। বিয়ের পরও বারকয়েক হেলেনকে চিঠি দিয়েছিলেন কবি। বারবার লিখতেন, "পত্র দিও, পত্র দিও।" কিন্তু ফিরতি পত্র আর কখনো আসত না কবির ঠিকানায়। এক বুক ভরা বিষণ্ণতা নিয়ে বসে থাকেন কবি, লিখেন :
"প্রতিমা
শুনেছি সুখেই বেশ আছো,
কিছু ভাঙচুর আর
তোলপাড় নিয়ে আজ আমিও সচ্ছল,
টলমল অনেক কষ্টের দামে জীবন গিয়েছে জেনে
মূলতই ভালোবাসা মিলনে মলিন হয়, বিরহে উজ্জ্বল।"
নিজের সব বিষণ্ণতা কবিতার খাতায় তুলে আনেন কবি। সারাদিন পাগলের মত কবিতা লিখেন। কবিতার খাতা ভর্তি করে বইমেলায় বের করলেন তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ - "যে জলে আগুন জ্বলে।"

নিয়তির কি করুণ পরিহাস! বইমেলা থেকে আরো অনেক বই এর সাথে সেই কাব্যগ্রন্থও কিনে আনেন হেলেনের স্বামী। বাসায় বইমেলা থেকে কিনে আনা বই এর মধ্যে নিজের প্রাক্তন প্রেমিকের বই দেখে চমকে উঠেন হেলেন। বই এর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উল্টাতে থাকেন। কবিতার পর কবিতা পড়ে যেতে থাকেন। প্রতিটা কবিতায় হেলেনকে নিয়ে লেখা কবির আর্তচিৎকার, হাহাকার, পেয়েও হারানো বেদনা হেলেনের বুকের মধ্যে যেয়ে হাতুড়ি পেটা করে। নিজেকে আর বেশিদিন ঠিক রাখতে পারে না হেলেন। ধীরে ধীরে মস্তিষ্কবিকৃতি ঘটতে থাকে তার। উচ্চতর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন দেশ ঘুরিয়ে আনলেও হেলেন আর ভালো হয়নি৷ শেষমেশ স্বামীর থেকে তালাকপ্রাপ্তা হয়ে হেলেনের আবার ঠাঁই হয় নেত্রকোণায় তার নিজের বাসায়। হেলেন তখন বদ্ধ উন্মাদ। শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয় তাকে। এদিকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শাহবাগের মেসে যখন হেলাল হাফিজ তার শেষ দিনগুলা কাটাচ্ছিলেন, ওদিকে হেলেন তখন নেত্রকোণার এক গ্রামে শেকলে বাঁধা অবস্থায় বদ্ধ উন্মাদ অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলেন। দুইজনই দুইজনকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু কারোরই আর কাউকে পাওয়া হয় নাই। নিঃসঙ্গতার কঠিন বেড়াজালে কাটলো তাদের জীবন। মানুষের ভালোবাসা বোধহয় কবির কবিতার পঙক্তির মতই - মিলনে হয় মলিন, বিরহে হয় উজ্জ্বল। কিন্তু সেই উজ্জ্বলতার পাশাপাশি সেই ভালোবাসা মানুষকে অদ্ভুত এক নির্জনতাও উপহার দিয়ে যায়। আর সেই নির্জনতা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়ই বোধহয় মৃত্যু।
মানুষ কি আসলে তার জীবনে কিছু পায়? কাফকা তার জীবনে মিলেনারে পায় নাই, মিলেনার উদ্দেশ্যে কত শত চিঠি লিখে গিয়েছেন, যেগুলার কোনোটা হয়ত মিলেনার হাতেও পৌঁছে নি। এডগার এলান পো এর জীবনেও তার সারাহ কখনো এনাবেল লী হয়ে আসে নাই। জন কীটস তার নিজের অসুস্থতার কারণে পান নাই ফ্যানিকে।
লর্ড বায়রন মেরিকে না পেয়ে কবিতার খাতা খুলে বসেছিলেন, লিখে ফেলেছিলেন তার বিখ্যাত কবিতা The dreamers. দান্তে বিয়াট্রেসকে না পেয়ে তার সব ক্ষোভ রাগ উগরে দিয়েছিলেন দ্য ডিভাইন কমেডিতে। আমাদের জীবননান্দও তার শোভনাকে না পাওয়ার বেদনা ভুলতে লিখলেন বনলতা সেন।
আর তেমনি আমাদের হেলাল হাফিজও পান নাই তার হেলেনকে। এক হেলেনকে না পাওয়ার দুঃখ ভুলতে আমাদের হেলাল হাফিজের এক জীবন কেটে গেলো।
মানুষের জীবনের এই চাওয়া আর পাওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক। এই ফারাকের ব্যবধানের হিসাব কষতে কষতে মানুষের এক জীবন পার হয়ে যায়, তবুও মানুষের অংক শেষ হয় না। এই কঠিন সমীকরণ মিলাতে যেয়ে মানুষ ভয়াবহ নিঃসঙ্গতায় ডুবে যায়। নিঃসঙ্গতায় ডুবে যেমন ভ্যান গঘ নির্জন এক রাতে ছবি আঁকতে আঁকতে নিজের বুকে গুলি করে পড়ে ছিলেন তার স্টুডিওতে। সারাজীবন মেলানকোলিয়ায় ডুবে থেকে এক শীতের সকালে সূর্য ওঠার আগেই মৃত অবস্থায় পার্কের বেঞ্চে পাওয়া গেলো এডগার এলান পোর মৃতদেহ। নিঃসঙ্গতায় ভর্তি এক জীবন কাটিয়ে জীবনানন্দ পা বাড়ালেন ট্রামলাইনে।

আমাদের হেলাল হাফিজকেও তেমনি পাওয়া গেলো শাহবাগের এক মেসে। নিঃসঙ্গতায় ভরা এক জীবন কাটিয়ে অবশেষে ঘুচলো তার নিঃসঙ্গতা। নিঃসঙ্গতার সমাধান - বোধহয় এই এক মৃত্যু। এছাড়া সেই আদিকাল থেকে শুরু করে কোনো কবি সাহিত্যিকই নিঃসঙ্গতার আর কোনো সমাধান পান নি।
১৩-১২-২০২৪ 
source : https://www.facebook.com/groups/boipokaderaddakhananew/permalink/10057712077577456/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v 
 
 

গল্পে গল্পে মুক্তিযুদ্ধের ১১ সেক্টর


 

বঙ্গ মিয়ার ছিলো এগারো সন্তান। সবচেয়ে বড় মেয়ে পাবর্তীকে উঁচু ঘরে বিয়ে দিলেন। ২য় ও ৩য় সন্তানগুলো একটু ‘কু’ তাই তাদেরকে থিতু করলেন কুমিল্লায়। তা বঙ্গ মিয়া একদিন দুই মেয়ের বাড়িতে বেড়ানো শেষে ৪ নম্বর ছেলেটার কর্মস্থল সিলেটে গেলেন চা খেতে, চা খাওয়া শেষে ছোট ছেলেটা ৫ম ভাইয়ের অফিসওটাও সিলেটে বেড়াতে যেতে অনুরোধ করলো। 


বঙ্গমিয়া একদম ক্ষেপে গিয়ে বলল ‘হামাক বেক্কল পানু?’ একচর মারবো ৬ টা দাঁত ফেলে দিব, দাঁত গিয়ে রংপুরে পড়বে। 


ছোট ছেলে হেসে বলল ভালই তো আসার সাথে (৭) রাজশাহী থেকে আম নিয়ে আসব। শুধু কি তাই ? সাথে কুষ্টিয়া থেকে ৮ প্যাকেট তিলের খাজাও নিয়ে আসব!


বঙ্গ মিয়া তো আরো ক্ষেপে বললেন - আর আসার দরকার নয় (৯) বরিশাল চলে যাও। হাসতে হাসতে ছোট ছেলে বলল বাবা দেশে (১০) তো নৌকার অভাব নাই, চাইলেই যেতে পারি কিন্তু !
হ যাবিই তো, তুরার ১১ টার জ্বালায় কুইট্টালতাম (ময়মনসিংহ) মুঞ্চায়।
গল্পটা কোড। নিজের মত করে সাঁজিয়ে নিতে পারেন।

বিঃ দ্রঃ ১০ নং হচ্ছে নৌ সেক্টর। নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না ১০ নং নৌ সেক্টরে।

(সংগৃহীত)

 

ড. ইউনুস সাহেবের বাড়ি চট্টগ্রাম শহরের পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকায় ,ওনার গ্রামের বাড়ি অবশ্য হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন এর বাথুয়া গ্রামে।যা চট্টগ্রাম - কাপ্তাই রোডে অবস্থিত।
ওনার দাদার নাম হাজি নজু মিয়া, যার নামে নজুমিয়া হাট,এর সামান্য পশ্চিমে ড. ইউনুস সাহেব এর বাড়ি।
ওনার বাবার নাম হাজি দুলা মিয়া, দাদা ও বাবা দুইজনেই স্বর্ণের ব্যবসা করতেন।
হাজি দুলা মিয়া সওদাগর নামে স্বর্ণের দোকানটি এখনো খাতুনগঞ্জের নিকটবর্তী বক্সিরহাটে চলমান আছে। ঐ দোকানের উপরের দোতলায় ড. ইউনুস সাহেবরা ছোটবেলায় বসবাস করতেন।
উপরের ছবির নিরিবিলি বাড়িটি হাজি দুলামিঞা ষাটের দশকে নির্মাণ করেন, যে বাড়িতে ড. ইউনুস সাহেব বেড়ে উঠেন।
গ্রামে জন্মগ্রহণ করে উনি শৈশবে শহরের কোরবানীগঞ্জের লামা বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন।
ড. ইউনুস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল হতে ১৯৫৫ সনে এসএসসি পাস করেন (মেধা তালিকায় ১৬ তম স্থান সহ)

Photo Credit :- Mohammed Abdul Azim
ছবি :- অদ্য সকালে(20Dec2024) নিজ মোবাইলে তোলা।
 
 

সেন্টার অফ ইউনিভার্স

 


" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'Tulsa' য় রয়েছে একটি বৃত্তাকার জায়গা, যেখানে দাঁড়িয়ে কথা বললে আপনার কণ্ঠস্বর আপনি শুনতে পাবেন "



এই জায়গাটি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস শহরের হিউস্টন। সারা শহরটি ঠিক মাঝখানে এমন একটি বৃত্তের মতো অংশ আছে যেখানে দাঁড়ালে আপনি যে শব্দ মুখে উচ্চারণ করবেন সেই শব্দ আপনার কানে ইকো হয়ে ফেরত চলে আসবে।
অর্থাৎ এক কথায় বলতে গেলে আপনার কণ্ঠস্বর আপনি পরিষ্কার শুনতে পাবেন যা বাইরের কেউ শুনতে পাবে না। বৃত্তের মতো গোল এই অংশটিকে বলা হয় সেন্টার অফ ইউনিভার্স। বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেও কোন বিজ্ঞানী আজ পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলতে পারেনি এই বৃত্তের মধ্যে দাঁড়িয়ে এরকম ইকো সিস্টেমের প্রকৃত কারণ কি।

পৃথিবীর ইতিহাসে সবথেকে জনপ্রিয় ছবি



উইন্ডোজ এক্সপি-তে ডিফল্ট ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহৃত ছবি ব্লিসকে বিশ্বের ইতিহাসে সর্বাধিক দেখা ছবি বলে মনে করা হয়। এই ছবিটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
১৯৯৬ সালে ছবিটি তুলেছিলেন মার্কিন ফটোগ্রাফার চার্লস ও’রিয়ার। এটি তোলা হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ন্যাপা ও সোনোমা এলাকায়। গাড়িতে যাওয়ার সময় দৃশ্যটি দেখে খুবই ভালো লেগে যায়। আর তখনই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই ক্যামেরাবন্দি করেন দৃশ্যটি। ছবিটি তোলা হয় ‘v Mamiya RZ 67’ ফিল্ম ক্যামেরায়। ছবিটিতে ফটোশপ করা হয়নি।
চার্লস এরপর ছবিটি স্টক ফটো এজেন্সি ওয়েস্টলাইট-এর কাছে জমা দেন। ১৯৯৮ সালে ছবিটি চোখে পড়ে মাইক্রোসফটের কর্ণধার বিল গেটসের। আর তিনি ১ লাখ মার্কিন ডলারে ছবিটির স্বত্ব কিনে নেন। তবে প্রকৃত অর্থে কত টাকা লেনদেন হয়েছিল তা কখনোই জানায়নি চার্লস ও মাইক্রোসফট।
ধীরে ধীরে ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে চার্লস ও'রিয়ারের। তারপর বড় বড় খ্যাতিমান সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করতে থাকেন তিনি।
অন্যদিকে অপর একটি ছবিও মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপি-তে ওয়ালপেপারের অপশনে থাকত। তা হচ্ছে Autumn. ছবিটি তুলেছিলেন ফটোগ্রাফার পিটার বুরিয়ান। একটি ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিনের হয়ে একটি লেন্সের পরীক্ষা করার সময় তুলেছিলেন তিনি। এরপর ছবিটি মাইক্রোসফটের ফটোগ্রাফ কেনা-বেচার ওয়েবসাইট করবিস-এ পাঠিয়ে দেন। ছবিটি মাইক্রোসফট মাত্র ৩০০ ডলারের বিনিময়ে কিনে নেয়।
পিটার একদমই জানতেন না কোন কারণে ছবিটি কিনে নেয় মাইক্রোসফট। পরে যখন জানতে পারেন বিশ্বের লাখ লাখ কম্পিউটারে তার ছবিটি ডিফল্ট হিসেবে থাকবে তখন আকাশ থেকে পড়েন তিনি। কেননা, এত কম দামে ছবি বিক্রি করায় অনেকটা আফসোসও করেন। বলেন, কিছু না ভেবেই তুলেছিলাম ছবিটি। কিন্তু এই ছবিই যে কোটি কোটি মানুষ দেখবে তা কী করে জানবো।

 


রেডেন পার্ক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার

রেডেন পার্ক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার, হাংজু, চীনে অবস্থিত একটি অত্যন্ত বৃহৎ আবাসিক কমপ্লেক্স। এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসিক ভবন হিসেবে পরিচিত, যার মধ্যে ৩০,০০০ এরও বেশি বাসিন্দা বসবাস করছেন। কমপ্লেক্সটি ৬৭ তলা বিশিষ্ট, যেখানে ৬,৭০০টি আবাসিক ইউনিট রয়েছে এবং এর মোট আয়তন প্রায় ১৬,০০,০০০ বর্গমিটার। এটি একটি আধুনিক শহুরে পরিবেশে নির্মিত, যা বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বাণিজ্যিক সুবিধা এবং বিনোদনমূলক সেবা প্রদান করে। এখানে স্কুল, হাসপাতাল, দোকান, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা এবং একটি ইনডোর ওয়াটার পার্ক রয়েছে। এই প্রকল্পটি চীনের আধুনিক স্থাপত্য কৌশল এবং শহুরে উন্নয়নের চমৎকার উদাহরণ, যা ব্যাপক জনসংখ্যার জন্য টেকসই আবাসন এবং উন্নত নাগরিক সুবিধা সরবরাহ করে।


আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?

  এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...