Sunday, September 22, 2024

১৭৮ টাকা

 বাংলাদেশে ৬ গ্রেডের চা উৎপাদন করা হয়। ৬ নাম্বার গ্রেড আমরা খাই। ১ নাম্বার গ্রেড পাবেন ফাইভ স্টার হোটেলে, পার কাপ দাম পড়বে ২-৩ হাজার। বাকি সব যায় পশ্চিমে। তার মানে মেইন ভোক্তা পশ্চিম। রপ্তানি করে পার কেজি চা করা হয় মিনিমাম ৫ হাজার টাকায়। আর একজন শ্রমিককে দৈনিক ২৬ কেজি চা চুলতে হয়। সে চা তুললে পায় ১৭৮ টাকা। ২৬ কেজি চা এর থেকে দুই-তিন কেজি গ্রিণ টি পাওয়া যায়৷ পার কেজি গ্রিণ টি এর দাম ৬ হাজার, পাইকারি। মানে তার তোলা চা পাতা থেকে গ্রিণ টি বেচে দৈনিক কামায় করছে মিনিমাম ১০-১২ হাজার। তারপর বিভিন্ন গ্রেডের চা। মোটামুটি তার তুলা ২৬ কেজি থেকে ৪-৮ কেজি গ্রেড ১-৪ পর্যন্ত থাকে। এভারেজ প্রাইজ ৪ হাজার করে ধরলে ৬কেজি এভারেজ হলে, ২৪ হাজার টাকা কামাই করে একজন শ্রমিকের চা তোলা থেকে।

তার মজুরি কত?
১৭৮।
আর আমরা তুলনা দিচ্ছি কোন চা পাতার সাথে। গ্রেড-৬, যেগুলো উচ্ছিস্ট। চা মুখে তোলার আগে এটাও মাথায় রাইখেন আরকি একটু।

source:: https://www.facebook.com/100008682274668/posts/3539252899707418/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

তুই কার ভাতিজা

 ভাতিজা : চাচা, এইবার বাড়িতে লাউ গাছ লাগাইছিলাম।

চাচা : ভালো করছোস। বইসা না থাইকা কিছু করা ভালো।
ভাতিজা : তো গাছে একটা বড় লাউ ধরেছিল।
চাচা : বড় লাউ ধরবো না তো ছোট লাউ ধরবো? তুই আমার ভাতিজা না।
ভাতিজা : লাউডারে বিক্রির জন্য বাজারে নিয়া গেলাম।
চাচা : ভালো করছোস, অত বড় লাউ খাওয়া সম্ভব না।
ভাতিজা : বাজারে এক পুলিশ লাউ এর দাম জিজ্ঞেস করলো।
চাচা : পুলিশ হইলেও তো তার বাজার-সদাই করা লাগে, দাম জিজ্ঞেস করবো নাতো কি করবো।
ভাতিজা : আমি ৫০০ টাকা চাইলাম।
চাচা : বড় লাউ, ৫০০ টাকা চাইবি নাতো কি ৫০ টাকা চাইবি?
ভাতিজা : পুলিশ বললো ১০ টাকায় দিবেন।
চাচা : ঠিকইতো বলেছে একটা লাউ কি পুলিশে ৫০০ টাকায় নিবো?
ভাতিজা : আমি বললাম, বাপের জনমে লাউ খাইছেন?
চাচা : ভালো করছোস, তুই আমার ভাতিজা না। তুই কি পুলিশরে ভয় পাইয়া কথা বলবি? ৫০০ টাকার লাউরে সে ১০ টাকা কয়।
ভাতিজা : এরপরে পুলিশে আমার কান ধইরা মইলা দিছে।
চাচা : ভালো করছে, তুই পুলিশের সাথে বেয়াদবি করবি আর সে কি তোরে আদর করব?
ভাতিজা : পরে পুলিশ আমারে থানায় নিয়া গেল।
চাচা : পুলিশতো থানায়ই নিব, সে কি তরে তার শ্বশুর বাড়ী নিব?
ভাতিজা : তারপর বড় দারোগা এসে আমাকে ছেড়ে দিলো।
চাচা : বড় দারোগা তোরে ছাড়বো সেটাই স্বাভাবিক, দেখতে হইবোনা তুই কার ভাতিজা।

ভুল থেকে শিখি



দুধ খারাপ হলে দই হয়ে যায়। দই দুধের চেয়ে দামি। যদি এটা আরো খারাপ হয়, এটা পনির হয়ে যায়। দই এবং দুধের চেয়ে পনিরের মূল্য অনেক বেশি।
আর আঙুরের রস টক হলে তা ওয়াইনে রূপান্তরিত হয়, যা আঙ্গুর রসের চেয়েও দামী। তুমি খারাপ না কারণ তুমি ভুল করেছ। ভুল হল সেই অভিজ্ঞতা যা আপনাকে একজন ব্যক্তি হিসেবে আরো মূল্যবান করে তোলে।
ক্রিস্টোফার কলম্বাস একটি নেভিগেশন ভুল করেছেন যা তাকে আমেরিকা আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর ভুল তাকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করতে বাধ্য করেছে। টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন? তিনি বলছিলেন, 'অসংখ্যবার!' তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?' উত্তরে এডিসন যে উত্তর করেছিলেন তা এমন, 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
ব্যাপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।
কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন, 'ভুল বলে কিছু নেই সবই নতুন শিক্ষা।'
বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, 'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'
'How to change a life' বইটি একবার দ্বিতীয় সংস্করণে নামের ভুলে 'How to change a wife' হয়ে বের হয়েছিলো, তারপর তা বেস্ট সেলার !
কথায় আছে, মাঝে মাঝে ভুল বলো নাহলে তুমি বুঝতে পারবে না লোকে তোমার কথা শুনছে কি না !
মাঝে মাঝে ভুল লিখো তাহলে যে তোমাকে জিন্দেগীতে কমেন্ট করবে না বলে পণ করেছে সে ও কমেন্ট করবে।
বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন, 'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।'
বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।'
কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।'
অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।'
হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।'
এক প্রেমিকের ভাষ্য, 'ভুল মানুষের প্রেমে পড়া মানে আরেকটি শুদ্ধ মানুষের প্রেমে পড়ার অন্যতম সুযোগ।'
কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!
যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না!
পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছা না গেলে চিত্র হয় না!
কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে ! তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না!
তাই আসুন আমরা ভুল কে ভুলে গিয়ে আবার নতুনভাবে চেষ্টা করে ফুলের মত জীবন গড়ি।
আপনার ভুলগুলিকে আপনাকে নীচে নামাতে দেবেন না। এটি অনুশীলন নয় যা নিখুঁত করে তোলে। আমরা ভুল থেকে শিখি যা নিখুঁত করে তোলে!
সংগৃহীত

নবীদের সিরিয়াল

আদম (আ.) 

পৃথিবীর প্রথম মানব ও প্রথম নবী আদম (আ.)। 

 

শিশ ইবনে আদম (আ.)

ঐতিহাসিকরা বলেন, আদম (আ.)-এর পর তাঁর পুত্র শিশ (আ.)-কে আল্লাহ নবী মনোনীত করেন। আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) বলেন, ‘আদম (আ.) মারা যাওয়ার পর তাঁর পুত্র শিশ তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন।’ (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, পৃষ্ঠা : ২৩২)

 

 

ইদরিস (আ.)

শিশ (আ.)-এর পর কোন নবীর আগমন হয়েছিল, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের ভেতর মতভিন্নতা রয়েছে। আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.)-সহ এক দল ঐতিহাসিকের মত হলো, তিনি ছিলেন ইদরিস (আ.)।অন্যরা বলেছেন নুহ (আ.)।

 

নুহ (আ.)

নুহ (আ.) ছিলেন প্রথম রাসুল (যেসব নবী আল্লাহর পক্ষ থেকে শরিয়ত বা জীবনবিধান লাভ করেছিলেন)। পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে নুহ (আ.)-এর বর্ণনা এসেছে। তিনি তাঁর মূর্তিপূজারি জাতিকে সাড়ে ৯০০ বছর ইসলামের দাওয়াত দেন। কিন্তু খুব সামান্যসংখ্যক মানুষই তা গ্রহণ করে। অতঃপর তাদের অবাধ্যতার জন্য আল্লাহ মহাপ্লাবনের মাধ্যমে সেই জাতিকে ধ্বংস করে দেন। তাদের পরিণতি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি নুহকে তার জাতির কাছে প্রেরণ করেছিলাম। সে তাদের মধ্যে ৫০ বছর কম এক হাজার বছর অবস্থান করে। অতঃপর মহাপ্লাবন তাদের গ্রাস করে। কারণ তারা ছিল সীমালঙ্ঘনকারী।’ (সুরা : আনকাবুত, আয়াত : ১৪)

 

হুদ (আ.)

নুহ (আ.)-এর পর হুদ (আ.)-এর আগমন হয়। পবিত্র কোরআনের বর্ণনা থেকেও বোঝা যায়, নুহ (আ.)-এর পর হুদ (আ.)-এর জাতির মাধ্যমে পৃথিবীতে নতুন সভ্যতার বিকাশ হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা স্মরণ করো, যখন নুহের পর তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৬৯)

 

সালেহ (আ.)

পবিত্র কোরআনের বর্ণনা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে হুদ (আ.)-এর জাতির পর সালেহ (আ.)-এর জাতির আবির্ভাব হয়। ইতিহাসে তারা ‘সামুদ’ নামে পরিচিত। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা স্মরণ করো, যখন আদ জাতির পর তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৭৪)

 

ইবরাহিম (আ.)

মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর আগমন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের পূর্ববর্তী নুহ, আদ, সামুদ সম্প্রদায়, ইবরাহিমের সম্প্রদায় এবং মাদিয়ান ও বিধ্বস্ত নগরের অধিবাসীদের সংবাদ কি তাদের কাছে আসেনি?’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৭০)

এই আয়াতের বিবরণ থেকে ধারণা হয়, সামুদ সম্প্রদায়ের পর ইবরাহিম (আ.)-এর আগমন হয়। তাঁর সম্প্রদায়ের নাম ছিল সাবিয়া। তারা চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ ও নক্ষত্রগুলোর পূজা করত। তিনি তাদের একত্ববাদের পথে আহ্বান জানান। কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করে এবং ইবরাহিম খলিলুল্লাহ (আ.)-কে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র করে। কিন্তু আল্লাহ তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেন।

 

লুত (আ.)

ইবরাহিম (আ.)-এর যুগেই লুত (আ.) প্রেরিত হন। কোরআনের বিবরণ থেকেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘লুত তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করল। ইবরাহিম বলল, আমি আমার প্রতিপালকের উদ্দেশে দেশত্যাগ করছি। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা : আনকাবুত, আয়াত : ২৬)

 

শোয়াইব (আ.)

লুত (আ.)-এর অল্প কিছুদিন পরই শোয়াইব (আ.) তাঁর দাওয়াতি কার্যক্রম শুরু করেন। কোনো ঐতিহাসিকের দাবি, তিনি ক্যালেডীয় অঞ্চলে আগমন করেন। পবিত্র কোরআনে তাঁর আগমনকাল সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘লুতের জাতি তোমাদের খুব বেশি আগের নয়।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ৮৯)

 

ইসমাঈল (আ.)

ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আ.)-এর ঔরসে জন্ম হয় ইসমাঈল (আ.)-এর। তিনি পবিত্র কাবাঘর নির্মাণে তাঁর পিতাকে সাহায্য করেন। ইসমাঈল (আ.)-কে আরব জাতির পিতা বলা হয়। তাঁর বংশধররা আরবসভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন তাঁর বংশধর। তিনি আমালিক ও জুরহুম গোত্রের লোকদের মধ্যে এবং ইয়ামান অধিবাসীদের দ্বিনের দাওয়াত দেন।

 

ইসহাক (আ.)

ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারার ঔরসে জন্ম নেন ইসহাক (আ.)। তাঁর বংশধরদের মধ্য থেকে অসংখ্য নবী ও রাসুলের আগমন হয়। তাঁদের বেশির ভাগই বনি ইসরাঈলের নবী হিসেবে আগমন করেন।

 

অবশিষ্ট নবীদের ধারাক্রম

ইসহাক (আ.)-এর বংশধারা থেকে আল্লাহ একাধিক নবী প্রেরণ করেন। তাঁদের ধারাক্রম এমন—ইয়াকুব (আ.), ইউসুফ (আ.), আইয়ুব (আ.), জুলকিফল (আ.), ইউনুস (আ.), মুসা (আ.), হারুন (আ.), খিজির (আ.), ইউশা ইবনে নুন (আ.), ইলিয়াস (আ.), দাউদ (আ.), সোলাইমান (আ.), জাকারিয়া (আ.), ইয়াহইয়া (আ.) ও ঈসা (আ.)। এসব নবীর বেশির ভাগ বনি ইসরাঈলের প্রতি প্রেরিত হয়।

 

সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.)

আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ বিন আবদুল মুত্তালিব (সা.)-এর মাধ্যমে নবী-রাসুলের ধারাক্রমের ইতি টানেন। তিনি ছিলেন ইসমাঈল (আ.)-এর বংশধর। মক্কার কোরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করলেও তিনি কিয়ামত পর্যন্ত আগত সব মানুষের নবী। তাঁর পরে আর কোনো নবী আগমন করবেন না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন, তবে তিনি আল্লাহর রাসুল এবং সর্বশেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে অবগত।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৪০)

 

 

Thursday, September 19, 2024

আশা ভোঁসলে

 সেই ১৬ বছর বয়সে পালিয়ে গিয়েছিলেন ৩১ বছরের প্রেমিক গণপত রাও ভোঁসলের সঙ্গে। বিয়ের পর প্রেমিক হয়ে গেলো অত্যাচারী, মদ্যপ। দিনে চারটে লোকের বাড়িতে রান্না করে ছেলেমেয়ে মানুষ করেন, নিজে চালিয়ে যান গান। গান ছাড়া আপনার প্রিয় নেশা রান্না, তা ওই পুরোনো অভ্যাস থেকে। একবার বলেওছিলেন, "গায়িকা না হলে আমি শেফ হতাম।"



অত্যাচার সীমা ছাড়ালে স্বামীকে ছেড়ে দুই সন্তানকে নিয়ে যখন সংসার ছাড়েন, তখন আপনি অন্তঃস্বত্তা। তবু ভোঁসলে পদবি ছেড়ে আবার মঙ্গেশকর হতে চাননি ।
তাতেও কি যন্ত্রণা কমেছে আপনার‌ ?
সুরকার ও পি নায়ারের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, ভেঙেছে। দিদি লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে তিক্ত হয়েছে সম্পর্ক।
রাহুলদেবের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেছেন, শেষ দিকে আগের মতো সম্পর্ক মধুর ছিল না। রাহুল থাকতেন আলাদা।
২০১২ সালে আপনার সাংবাদিক মেয়ে বর্ষা আত্মহত্যা করে অবসাদ থেকে।
২০১৫ সালে ছেলে হেমন্ত মারা যায় ক্যান্সারে, আপনি তখন সিঙ্গাপুরে শো করছেন। ছেলের সঙ্গেও সম্পর্ক শেষ দিকে ভালো ছিল না, ওর বউকে কেন্দ্র করে।
এত ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি সহ্য করে জনসমক্ষে যখন আজও আপনি গান করেন, মনে হয়, কোটি টাকার ঝাড়বাতি জ্বলে উঠলো সুরে, প্রাণশক্তিতে। এত প্রাণশক্তি কোথায় পান ? নিশ্চয়ই ‘জীবন গান’ থেকে। যে গানে গলা একবার তারসপ্তকে ওঠে, একবার নামে। একবার সুখ হাসে, একবার যন্ত্রণা এসে হাজির হয়। একদম আপনার জীবনের মতো।
আর একাকিত্ব ? সেতো আপনি লাখো মানুষের মাঝে থাকলেও অনুভব করতে পারেন .... যদি সেটাই হয়ে থাকে আপনার নিয়তি !

সুখের ভাগ

 ১০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ-নিজ নাম লিখে, ফেরত দাও।"

নাম সম্বলিত বেলুনগুলো নিয়ে, ক্লাসের মাঝখানে স্তুপ করে রাখলেন তিনি মিশিয়ে। তারপর বললেন─ "এবার এখান থেকে সবাই নিজের নামের বেলুনটি বেছে নাও।"
এতোগুলো বেলুন থেকে নিজের নামের বেলুনটি বেছে নিতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা প্রত্যেকেরই। সময় গড়াতে লাগলো, দু'য়েকজন খুঁজে পেলো নিজের বেলুনটি, বাকিরা হাতড়াতে লাগলোই, হতোদ্যম।
শিক্ষক বললেন─ "এক কাজ করো তাহলে; প্রত্যেকেই নিজের ঠিক সামনের বেলুনটি নাও, ওটায় তোমার যে-বন্ধুর নাম লিখা আছে তার হাতে তুলে দাও ওটা।"
এবার দেখা গেলো─ খুব অল্প সময়েই যার বেলুন তার কাছে পৌঁছে গেলো।
বেলুন হাতে বসে থাকা তাঁর সন্তানসম হাস্যোজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন শিক্ষক। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু চিকচিক করছে।
─ "বাবারা, পৃথিবীতে সুখ ছড়িয়ে আছে, ঠিক ওই বেলুনগুলোর মতোই। খুঁজে নাও। কিন্তু, নিজের জন্য নয়; অন্যের জন্য খোঁজো সুখ, তাকে তোমার অর্জিত সুখের ভাগ দাও; সেও তোমাকে তার সুখের─ সমস্তটা না-পারলেও─ ভাগটুকু দেবে। মা রে, তোমরা মিলেমিশে বেঁচে থাকো সারাটা জীবন, থইথই সুখের ভাগাভাগিতে।"
Salah Uddin Ahmed Jewel অনুদিত─
মূল লিখক: anon.

হিসাব কাটাকাটি

 দুপুরে খেতে একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। ওয়েটারকে জিজ্ঞাসা করলাম "কি আছে?"

সে শুরু করলো কাচ্চি, তেহেরী, বিরিয়ানি দিয়ে। আমি তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম "ভাতের সাথে কি আছে বলেন?" সে এবার ২য় দফায় শুরু করলো গরু, খাসি, মুরগী দিয়ে। শেষ করলো ইলিশ, মাগুর, মলা মাছে গিয়ে। হোটেলে খেতে গেলে কখনো আমি মাছ মাংস কিছু খাই না। হোটেলের খাবার মানেই মরা ধরা পচা সব কিছুর সমাহার। একমাত্র ভর্তা ভাজিটাই মোটামুটি নিরাপদ।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম "ভর্তা ভাজি নাই?" সাথে সাথে দেখলাম তার চেহারায় সব উৎসাহ হারিয়ে গেলো। সে বুঝে নিয়েছে, আমি গরিব কাস্টমার। তারে টিপস দিতে পারব না। সে অন্যদিকে ফিরে কোনরকম বললো "আছে"! আমি বললাম "আলুভর্তা, ডাল আর লালশাক আনেন!" অর্ডার দিয়ে ১৫ মিনিট বসে রইলাম। এরপর খাবার আসলো। গরিব কাস্টমার নিয়ে তার এতো মাথা ব্যাথা নাই। এর মধ্যে একবার আরেকটা আলুভর্তা আনার জন্য ডাকতে লাগলাম। তার খবর নাই। মনে হয় কাছে গিয়ে রিকুয়েষ্ট করতে হবে। এরপর মর্জি হলে আনবে। আমার খাওয়া শেষ হয়ে গেল। এরপর সে আলুভর্তা আনলো। ভর্তার প্লেটটা রেখেই সে চলে গেল। 'খেলে খান, না খেলে নাই' স্টাইলের ভাব। আমি হাত ধুয়ে বিল দিতে গেলাম কাউন্টারে। অন্য কাস্টমারের বেলায় সে সাথে এসে কাউন্টারে বিল বলে দিচ্ছে, আর কাষ্টমারের পেছনে দাড়িয়ে থাকছে। কাষ্টমার পেছনে ঘুরেই তাকে দেখে টিপস দিচ্ছে। আমার বেলায় সে আসলো না। দূর থেকে বিল বললো। এসব আলুভর্তা, ডালের কাস্টমার সে গুনায় ধরে না। আমি তাকে ডাকলাম৷ হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বললাম "আলুভর্তা ডাল খেলাম বলে পাত্তা দিলেন না।" সে লজ্জায় নিয়ে একটা হাসি দিয়ে, 'না না স্যার 'বলে পারলে মাথা নুয়ে মাটিতে ঢুকিয়ে দিবে অবস্থা! এরপর আমি বললাম "১০ টাকা রেখে ৯০ টাকা দেন।" তার মুখের মানচিত্র আবার বদলে গেল।
আমারে তুই আলুভর্তা দিতে গিয়ে ঘুরাইলি, আমি তর ইমোশন নিয়ে খেললাম। হিসাব কাটাকাটি।
লেখাঃ জায়েফ খান নাদিম

source: https://www.facebook.com/100085218790786/posts/487629267421029/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?

  এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...