বাংলাদেশে ৬ গ্রেডের চা উৎপাদন করা হয়। ৬ নাম্বার গ্রেড আমরা খাই। ১ নাম্বার গ্রেড পাবেন ফাইভ স্টার হোটেলে, পার কাপ দাম পড়বে ২-৩ হাজার। বাকি সব যায় পশ্চিমে। তার মানে মেইন ভোক্তা পশ্চিম। রপ্তানি করে পার কেজি চা করা হয় মিনিমাম ৫ হাজার টাকায়। আর একজন শ্রমিককে দৈনিক ২৬ কেজি চা চুলতে হয়। সে চা তুললে পায় ১৭৮ টাকা। ২৬ কেজি চা এর থেকে দুই-তিন কেজি গ্রিণ টি পাওয়া যায়৷ পার কেজি গ্রিণ টি এর দাম ৬ হাজার, পাইকারি। মানে তার তোলা চা পাতা থেকে গ্রিণ টি বেচে দৈনিক কামায় করছে মিনিমাম ১০-১২ হাজার। তারপর বিভিন্ন গ্রেডের চা। মোটামুটি তার তুলা ২৬ কেজি থেকে ৪-৮ কেজি গ্রেড ১-৪ পর্যন্ত থাকে। এভারেজ প্রাইজ ৪ হাজার করে ধরলে ৬কেজি এভারেজ হলে, ২৪ হাজার টাকা কামাই করে একজন শ্রমিকের চা তোলা থেকে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
কল্পনার আকাশে ভেসে
০১. যমুনা ফিউচার পার্কে লিফটে ওঠার সময় একটা মেয়ে আমার হাতটা টেনে দাঁড় করালো। মেয়েটার দিকে ভালো করে তাকালাম, চিনতে পারলাম না। বললাম “ জ্বি ...
-
একজন শখের কবি একবার ফুলকপি নিয়ে একটা কবিতা ফেসবুকে লেখেন!! এরপর যা যা হয়েছিল সেটা ওনার বয়ানেই শুনুন..... “মানুষের মাথায় ভূত চাপে, আমার মাথায়...
-
লেখায় :- ফেরদৌস আহমেদ। আমার একটা বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর তীরে সাত পুরুষের জনম গেছে খরকুটার এই নীড়ে একটুখানি উঠোন ছিল ছোট্ট ক টা ঘর পাশেই ছি...
-
এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...
No comments:
Post a Comment