Sunday, December 15, 2024

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার ট্যুরিস্ট স্পট

 https://www.facebook.com/100044365848277/posts/1126425655512952/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

 

হুমায়ূন আহমেদ গুলতেকিন আহমেদ

বিটিভির একটা ইন্টারভিউতে যখন আনিসুল হক গুলতেকিন আহমেদকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি কি আপনার মেয়েদের বিয়ে কোনো লেখকের সাথে দেবেন?

আমি তাকিয়ে ছিলাম স্যারের দিকে । খেয়াল করেছিলাম, ঐ মুহূর্তে হুমায়ূন আহমেদ বেশ নার্ভাসনেস এবং এক্সাইটমেন্ট এর সাথে গুলতেকিনের দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

গুলতেকিন নেগেটিভ উত্তর দেওয়ার সাথে সাথেই হুমায়ূন স্যারের চেহারা কেমন যেন ম্লান হয়ে গেল।

গুলতেকিনকে যখন আনিসুল হক প্রশ্ন করলেন, এখন হলে আপনি হুমায়ূনকে বিয়ে করতেন কি না? গুলতেকিন ম্যাম ক্যামেরার সামনে ঠাস কইরা বইলা দিলো, না, এখন হলে সে হুমায়ূনরে বিয়ে করতো না।

আমি হুমায়ূন স্যারের মাথা আরেকবার নিচু হয়ে যাইতে দেখলাম ক্যামেরার সামনে।

ঠিক ঐ মুহূর্তেই আমার মনে হয়েছিলো , শেষ বয়সে পরিবার, সমাজ সবকিছুর বিরুদ্ধে যাইয়া হুমায়ূন কেন শাওনকে বিয়ে করলেন।

প্লিজ বইলেন না যে হুমায়ূন আহমেদ নারীলোভী ছিলেন। নারীলোভী হলে হুমায়ূনের বিয়ে করার কোনো প্রয়োজন ছিলো না। বাংলাদেশের সবচেয়ে পপুলার ফিল্ম ডাইরেক্টর ছিলেন। নারী প্রীতির জন্য তাকে আলাদা করে বিয়ে করতে হবে, এই কথা বিশ্বাসযোগ্য না।

পার্সোনালি আমার যেইটা মনে হয়েছে, হুমায়ূন আহমেদ চেয়েছিলেন অ্যাপ্রিশিয়েশন। চেয়েছিলেন মুগ্ধতা। যে মুগ্ধতা তিনি পেয়েছিলেন শাওনের কাছে, গুলতেকিনের কাছে পাননি। হয়তো গুলতেকিন বিরক্তই ছিলেন স্যার কে নিয়ে।

আজও শাওন যখন হুমায়ূনের কথা বলেন, স্মৃতিচারণ করেন, আমি তাঁর চোখে হুমায়ূনের জন্য প্রেমিকার উচ্ছ্বাস দেখি। বিষাদ দেখি। একজন পুরুষের কাছে স্ত্রীর এই প্রেমিকার চোখ বা মুগ্ধতার চেয়ে বড় কিছু আর নাই।

লেখক আর সাধারন মানুষের চাওয়া, পাওয়া, দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হবেই তাই সবার সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না।

ইসলামের বিপক্ষে যায় এমন কোন কথা আমি বলতে চাইনা। জন্ম, মৃত্যু , বিয়ে অখন্ডনীয় তকদীর। এটা মানুষ খন্ডাতে পারবেনা।

পছন্দের লেখক, যার লেখনী আমার ভালো লাগে, যার জীবন সম্পর্কে সবসময় জানার চেষ্টা করেছি। একটা নেগেটিভ সাইড তার খুব করে সবাই প্রচার করেন বুড়ো বয়সে বিয়ে করেছেন মেয়ের বয়সী একজনকে। বিয়ে করেছেন ফস্টিনষ্টি করেন নি। আর তার বিয়ের অনেক আগেই শাওনের সাথে তার রেগুলার কাজের জন্য দুইজনকে নিয়ে মিডিয়া খুব মাতামাতি করে তখন প্রেম বলতে কিছুই ছিলোনা তখন গুলতেকিন হুমায়ূন আহমেদ কে ভরসা বিশ্বাস কোনটাই করেন নি। তিনি বাসা ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছেন, হুমায়ূন আহমেদ তাকে যেতে দেননি। বলেছেন তুমি কেনো যাবে বাসা থেকে আমিই নেমে যাই। স্ত্রী সন্তানকে কোন কিছু থেকে বঞ্চিত রাখতে চাননি। তাকেই কোনঠাসা করা হয়েছিলো। তিনি ঈদের দিনটা পর্যন্ত না খেয়ে ছিলেন কারন হোটেল বন্ধ ছিলো, আর নিজের ঘরে যাওয়ার মুখ ছিলোনা।

তারও অনেক পরে শাওনকে বিয়ে করেন। শাওনকে বিয়ের পরে তিনি গর্তবাসী হয়ে যান পুরোপুরি।

গুলতেকিনকে নিয়ে তিনি জীবনের সেরা একটা সময় কাটিয়েছেন, সবসময় কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন। আমাদের সেই প্রিয় গুলতেকিন কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ এর জন্মদিনেই বুড়ো বয়সে বিয়ে করেছেন।

তিনি কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ এর থেকেও বেশি বুড়ো হয়ে বিয়ে করেছেন। তাহলে এতো ভালো মন্দের দায়ভার দেশবাসীকে কে দেয়???

হুমায়ুন আহমেদ এর মেয়ে ফ্যানের অভাব ছিলোনা। এখনও নেই। আমার মেয়ের ছোটবেলায় হুমায়ুন আহমেদ মারা গেছেন মেয়েও কিন্তু স্যারের বই পড়ে।

আমাদের সংসারেও হুমায়ুন আহমেদ নিয়ে একটা ঝামেলা আছে আমি বলেছিলাম, শাওনের জায়গায় আমি হলে আমিও তাই করতাম। এটা নিয়ে খুব রাগারাগি হয় । আমিও আর স্যার নিয়ে কথা বলিনা, স্যারের বই পড়িনা।

অথচ ছোটো থেকে আমাকে যদি কোন স্বপ্ন কেউ জিজ্ঞাসা করতো আমি কিন্তু একটা কথাই বলতাম আমার একটা লাইব্রেরী হবে যেটাতে হুমায়ূন আহমেদ এর সব বই থাকবে। লাগোয়া একটা বড় ওয়াশরুম থাকবে। লাইব্রেরি আর ওয়াশরুম শুধুই আমার।

source: https://www.facebook.com/100064147627026/posts/975728707908708/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

মানুষ বড়ই আজব প্রানী

 মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়াঃ-

≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈

উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।

ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।

পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ করেন।

ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার

বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।

বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন

জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।

মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে যাক।

ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন

নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।

প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার

সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।

৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।

১| নদীর পাড়ের বাড়ি

২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি

৩। ঘর ছাড়া নারী।

তিনটি জিনিস একবার আসেঃ

(১) মাতা-পিতা

(২) সৌন্দর্য্য

(৩) যৌবন।

তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ

(১) বন্দুকের গুলি

(২) কথা

(৩) রূহ।

তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ

(১)সু-সন্তান

(২)ভাল কাজ

(৩) ইলম।

তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ

(১)চুরি

(২)চোগলখুরী

(৩)মিথ্যা।

তিনটি জিনিস

জীবনে রাখতে নেইঃ

(১)হিংসা

(২)অভাব

(৩)সন্দেহ।

তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রাখা উচিতঃ

(১) উপদেশ

(২) উপকার

(৩) মৃত্যু।

তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রাখা উচিতঃ

(১) রাগ

(২) জিহবা

(৩) মন।

তিনটি জিনিস অভ্যাস করা উচিতঃ

(১) সততা

(২) ভক্তি

(৩) ভালোবাসা।

তিনটি জিনিস থেকে দূরে থাকা উচিতঃ

(১) মিথ্যা

(২) অহংকার

(৩) অভিশাপ।

তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করা উচিতঃ

(১) কলম

(২) কথা

(৩) কদম।

নুপুরের দাম হাজার টাকা,,

কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,

টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,

তার স্থান কপালে।

"যে নুনের মতো

তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।

ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,

আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।

মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,

আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।

মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,

আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই

আগ্রহ বেশী।

এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,

আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।

আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, পানি মেশাননি তো?",,

আর মদে নিজেরাই পানি মিশিয়ে খাই।

আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,

যে -"তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,

কিন্তু সিংহ বললে খুব খুশি হয় !!

মানুষ বড়ই আজব প্রানী

 source: https://www.facebook.com/100047157708436/posts/1083268249921755/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

দুই জেনারেশন

একজন যুবক তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিল: "আপনারা আগে কীভাবে থাকতেন-
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যানবাহন নেই
ওয়াইফাই নেই
কোন ইন্টারনেট নেই
কম্পিউটার নেই
অনলাইন শপিং নেই
টিভি নেই
মোবাইল ফোন নেই?
শপিং মল নেই
মাল্টিপ্লেক্স নেই"
তার বাবা উত্তর দিলেন:
"ঠিক যেমন তোমাদের প্রজন্ম আজকের
সাথে জীবনযাপন করে -
প্রার্থনা নেই
সমবেদনা নেই
সম্মান নেই
কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই
কোন চরিত্র নেই
লজ্জা নেই
বিনয় নেই
সময় পরিকল্পনা নেই
খেলাধুলা নেই
পড়া নেই"
 

আমরা যারা 1940-1980 সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছি তারাই ধন্য। আমাদের জীবন একটি জীবন্ত প্রমাণ:

 স্কুলের পর সন্ধ্যা পর্যন্ত খেলতাম। 

আমরা কখনো টিভি দেখিনি। 

আমরা প্রকৃত বন্ধুদের সাথে খেলতাম, ইন্টারনেট বন্ধুদের সাথে নয়। 

আমরা যদি কখনও তৃষ্ণার্ত অনুভব করি, আমরা বোতলের জল নয় কলের জল পান করি। 

আমরা কখনই অসুস্থ হইনি যদিও আমরা চার বন্ধুর সাথে একই গ্লাস জুস শেয়ার করতাম। 

আমাদের কখনই ওজন বাড়েনি যদিও আমরা প্রতিদিন প্রচুর ভাত খেতাম। 

খালি পায়ে ঘোরাঘুরি করেও আমাদের পায়ের কিছুই হয়নি। 

আমাদের মা ও বাবা কখনোই আমাদের সুস্থ রাখার জন্য কোনো সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেননি। 

আমরা নিজেদের খেলনা তৈরি করতাম এবং সেগুলো দিয়ে খেলতাম। 

আমাদের বাবা-মা ধনী ছিলেন না। তারা আমাদের ভালবাসা দিয়েছেন, পার্থিব উপকরণ নয়।  

আমাদের কখনই সেলফোন, ডিভিডি, প্লে স্টেশন, এক্সবক্স, ভিডিও গেম, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ইন্টারনেট চ্যাট ছিল না - তবে আমাদের প্রকৃত বন্ধু ছিল। 

আমরা আমাদের বন্ধুদের বাড়িতে বিনা আমন্ত্রণে যেতাম এবং তাদের সাথে খাবার উপভোগ করেছি। 

আমরা হয়ত কালো এবং সাদা ফটোতে ছিলাম কিন্তু সেই ফটোগুলিতে রঙিন স্মৃতি খুঁজে পেতাম। 

আমরা একটি অনন্য এবং, সবচেয়ে বোধগম্য প্রজন্ম, কারণ *আমরা শেষ প্রজন্ম যারা তাদের পিতামাতার কথা শুনেছি*। আর *প্রথম প্রজন্ম যারা তাদের সন্তানদের কথা শুনতে হচ্ছে।*
 

আমরা একটি *সীমিত* ​​সংস্করণ!
 

#সংগৃহীত

Saturday, December 14, 2024

মৌমাছির জীবন !

মৌমাছি

এদের দুটি পাকস্থলী থাকে। একটি খাওয়ার জন্য এবং অন্যটি পরাগ সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করার জন্য। মৌমাছি গড়পড়তায় মাত্র ৪০ দিন বাঁচে। আর এই সময়ে সে কমপক্ষে প্রায় দশলক্ষ বার ফুলে ফুলে ছুটোছুটি করে এক চামচেরও কম মধু উৎপন্ন করে। তারপর মারা যায়।

আমাদের চোখে যা কেবলমাত্র এক চামচ মধু । কিন্তু মৌমাছির জন্য এটা সম্পূর্ণ একটা জীবন।
আমাদের মাঝেও এরকম কিছু মানুষ আছে। মৌমাছির মতো। যারা অকাতরে দিয়ে যায়, তারপর প্রাণ হারায়।
যেমন- খাবারের সময় চোখের সামনে আমরা শুধু এক প্লেট ভাতই দেখি। কিন্তু এই এক প্লেট ভাতের পেছনে একজন কৃষকের ঘামে ভেজা জীবন দেখিনা। আমার শুধু পরনের একটা পোষাকই দেখি। কিন্তু এর পেছনে একজন বোনের চার দেয়ালের ভিতর বন্দি জীবন দেখিনা। আমরা শুধু বিদেশি রেমিট্যান্স দেখি, কিন্তু এর পেছনে একজন পরবাসী মানুষের জীবন সংগ্রাম দেখিনা।
মেলাদিন আগে মাছ ধরে ফেরা এক জেলে ভাইকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- সমূদ্র ভালো লাগে। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিলেন- না। যে সমূদ্র সৈকত আপনাদের জন্য এমন আনন্দদায়ক বিনোদন। তা আমাদের জন্য শুধুমাত্র বেঁচে থাকার অবলম্বন।
একবার মাওলানা ভাসানীর কাছে খবর এলো তাঁর এক ভক্ত কৃষক খুবই মরণাপন্ন। তিনি যেন একবার তাকে দেখতে যান।
মাওলানা ভাসানী ছুটে গেলেন সেই দরিদ্র কৃষকের কাছে। তারপর, তাঁর পাশে গিয়ে বসলেন। মমতা ভরে কন্ঠে জানতে চাইলেন- তিনি কিছু খেতে চান কিনা।
দরিদ্র কৃষক কোনো রকমে মুখে খুলে বললেন- সারা জীবন একটা রসগোল্লা খাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিলো। কিন্তু সেই সৌভাগ্য হয়নি। তার বড় ইচ্ছা করছে একটা রসগোল্লা খাওয়ার।
মাওলানা তাড়াতাড়ি করে বাজার থেকে রসগোল্লা কিনে নিয়ে এসে কৃষকের মুখে ধরলেন। কৃষক অর্ধেক খেয়েই চিরদিনের জন্য চোখ বন্ধ করেন।
এর কিছুদিন পর মাওলানা জনসেবায় বলছেন- সারা জীবন ধরে এমন রাজনীতি করে গেলাম বাংলার এক দুঃখী কৃষককে একটা পুরো রসগোল্লা খাওয়াবার সৌভাগ্যও অর্জন করতে পারলাম না। তারা শুধু আমাদের মধু দিয়েই গেলো, কিন্তু বিনিময়ে তাদের কোনো প্রতিদান দিতে পারলাম না।

source: https://www.facebook.com/781738204/posts/10162515047553205/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

ফুলকপি সমাচার!!

একজন শখের কবি একবার ফুলকপি নিয়ে একটা কবিতা ফেসবুকে লেখেন!! এরপর যা যা হয়েছিল সেটা ওনার বয়ানেই শুনুন.....

“মানুষের মাথায় ভূত চাপে, আমার মাথায় চেপেছিলো ফুলকপি!! কোন দুঃখে আমি সেদিন ফুলকপি নিয়ে একটা ছড়া লিখেছিলাম,
"শীতের দিনে,
তোমার কাছে,
ফুল চাইনি প্রিয়;
সময় পেলে,
রান্না করে,
ভাজা ফুলকপি দিও!!"
ফেসবুকে এই ছড়া পোস্ট করার পর, আমার জীবন এবং যৌবন ''ভাজা ভাজা, তিলের খাজা'' হয়ে গেছে !!
বউ আমাকে বললো:- এই কবিতা কার উদ্দেশ্যে লিখেছো?
আমি সরল গলায় বললাম, "কার উদ্দেশ্যে মানে?"
এরপর একদমে অনেকগুলো প্রশ্ন করলো!! সবমিলিয়ে প্রায় শ-পাঁচেক প্রশ্ন; সব কটা প্রশ্ন আমার মনে নেই; অল্প কয়েকটা মনে আছে যেমন:-
১. প্রথম লাইনে একটা শব্দটা আছে, "প্রিয়"!! কে তোমার প্রিয়?
২. কে তোমাকে ফুল দেয়?
৩. কেন দেয়?
৪. কীভাবে দেয়?
৪. কোথায় দেয়?
৫. দিনে কয় বার দেয়?
৬. কি ফুল দেয়?
৭. আর কি কি দেয়?
৮. কি কি দিতে বাকি রাখছে?
৯. তাজা ফুল না প্ল্যাস্টিকের ফুল?
১০. কার কাছে তুমি এই শীতে ফুলের বদলে ফুলকপি চাইছো?
১১. এত কিছু থাকতে ফুলকপি চাইতে গেলে কেন?
১২. কাঁচাফুলকপি না চেয়ে রান্না করা ফুলকপি কেন চাইলে?
১৩. অন্য কোনো মেয়ে কেন তোমার জন্য ফুলকপি রাঁধবে?
১৪. ঘরের রান্না মুখে রোচে না?
১৫. ফুলকপি মানে কি সবজি ফুলকপি না এর অন্য কোনো গোপন অর্থ আছে?
১৬. সারাজীবন ফুলকপি খেয়েও শখ মেটেনি?
১৭. আর কত ফুলকপি চাও?
১৮. কবে তোমার পেট ভরবে?
১৯. বুড়ো হচ্ছো আর ক্ষিধে বাড়ছে তোমার না?
২০. পেয়েছো কি তুমি?
২১. তোমাকে কি আমি খেতে দিই না?
২২. রাস্তা ঘাটে ফুলকপি চেয়ে বেড়াও?
২৩. আজ ফেসবুকে চাইছ , কাল কি থালা নিয়ে রাস্তায় বসবে?
২৪. পরশু কি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবে?
২৫. আমার কাছে চাইলে কি আর আমি ফুলকপি দিতাম না?
সর্বশেষ প্রশ্নটা বড়ই নির্মম:-
২৬. তোমার এত নোলা কেন?
আমি কোনও প্রশ্নের উত্তর গুছিয়ে দিতে পারিনি ফলে আমার জীবন হয়ে গেছে ফুলকপিময় !!
সকালে রুটির সাথে ফুলকপি ভাজা, দুপুরে রান্না করা ফুলকপি, রাত্রে ফুলকপি দিয়ে মাছ!! মাঝে বেলায় বেলায় ফুলকপি আর ফুলকপি; মাঝখানে ফুলকপির স্যুপ পর্যন্ত খেতে হয়েছে!! গত এক সপ্তাহে আমি যে পরিমাণ ফুলকপি খেয়েছি, মাটি ও মানুষের উপস্থাপকও তার গোটা জীবনে এতগুলি ফুলকপি দেখেননি!!
আজ সন্ধ্যায় বললাম, আদা দিয়ে একটু লাল চা করে দাও, একটু সর্দি লেগেছে!! ও পাথর মুখ করে চা বানাতে গেলো; আর আমি ভয়ে ভয়ে রইলাম!! চায়ে আদার বদলে ফুলকপি দিয়ে ফেলে কিনা কে জানে!! অশেষ কৃপায় খানিকবাদে ও আদা চা নিয়ে এলো; গলাটা একটু কোমল করে বলল, খালি পেটে চা খাবে না। ফুলকপির বড়া ভেজেছি। ওটা খেয়ে তারপর চা খাও !!
পুনশ্চ:- আরেকটা প্রশ্ন ছিলো এখন মনে পড়েছে!! "কি আছে ফুলকপিতে, যা আমার নেই? (বলে কান্না)
পুনশ্চ ২ :- আরেকটা প্রশ্নও ছিল; এক্ষুনি মনে পড়লো:- "সত্যি করে বলো তো, আমাকে না জানিয়ে তুমি এ পর্যন্ত কতগুলি ফুলকপি খেয়েছো? লুকিয়ে লুকিয়ে!!”
©️লিখা: আশীফ এন্তাজ রবি.

আমেরিকান সিটিজেনশিপ দিয়ে আমি কী করব?

  এই জীবনে বেশির ভাগ কাজই আমি করেছি ঝোঁকের মাথায়। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো, কোনো দিকে না তাকিয়ে ইচ্ছাটাকে সম্মান দিলাম। পরে যা হবার হবে। দু-এ...